১০ টন লাগেজ ভর্তি করে যুক্তরাষ্ট্রে কী নিয়ে গেলেন নেইমাররা?

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিশাল প্রস্তুতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। মঙ্গলবার দেশটিতে পৌঁছানো ব্রাজিল দলের সঙ্গে রয়েছে প্রায় ১০ টন বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম ও সরবরাহ সামগ্রী। বিশাল এই বহরের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সফরের পরিকল্পনা। যদি ব্রাজিল বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছাতে পারে, তাহলে দলটির প্রতিনিধিদলকে প্রায় ৪৮ দিন দেশের বাইরে থাকতে হবে। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) যে পরিমাণ মালামাল নিয়ে গিয়েছিল, এবার তার প্রায় দ্বিগুণ বহন করা হয়েছে। কাতারে দলটি একটি শহরেই অবস্থান করেছিল এবং তাদের ইউনিফর্মের সংগ্রহও ছিল সীমিত। তবে এবার অনুশীলনের জন্য দুটি ভিন্ন পোশাক সংগ্রহ রাখা হয়েছে—একটি নাইকি এবং অন্যটি জর্ডান ব্র্যান্ডের। দলের সঙ্গে নেওয়া সরঞ্জামের বড় অংশই স্বাস্থ্য ও পারফরম্যান্স বিভাগের জন্য। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ফিজিওথেরাপি যন্ত্রপাতি, লেজার, আল্ট্রাসাউন্ড, শকওয়েভ থেরাপি মেশিনসহ আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম। ব্রাজিল দলের ফিজিওলজিস্ট গুইলহার্মে পাসোস জানান, প্রতিটি হোটেলে তারা নিজেদের অস্থায়ী স্বাস্থ্য বিভাগ গড়ে তোলেন।

১০ টন লাগেজ ভর্তি করে যুক্তরাষ্ট্রে কী নিয়ে গেলেন নেইমাররা?

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিশাল প্রস্তুতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। মঙ্গলবার দেশটিতে পৌঁছানো ব্রাজিল দলের সঙ্গে রয়েছে প্রায় ১০ টন বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম ও সরবরাহ সামগ্রী।

বিশাল এই বহরের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সফরের পরিকল্পনা। যদি ব্রাজিল বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছাতে পারে, তাহলে দলটির প্রতিনিধিদলকে প্রায় ৪৮ দিন দেশের বাইরে থাকতে হবে।

চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) যে পরিমাণ মালামাল নিয়ে গিয়েছিল, এবার তার প্রায় দ্বিগুণ বহন করা হয়েছে। কাতারে দলটি একটি শহরেই অবস্থান করেছিল এবং তাদের ইউনিফর্মের সংগ্রহও ছিল সীমিত। তবে এবার অনুশীলনের জন্য দুটি ভিন্ন পোশাক সংগ্রহ রাখা হয়েছে—একটি নাইকি এবং অন্যটি জর্ডান ব্র্যান্ডের।

দলের সঙ্গে নেওয়া সরঞ্জামের বড় অংশই স্বাস্থ্য ও পারফরম্যান্স বিভাগের জন্য। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ফিজিওথেরাপি যন্ত্রপাতি, লেজার, আল্ট্রাসাউন্ড, শকওয়েভ থেরাপি মেশিনসহ আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম। ব্রাজিল দলের ফিজিওলজিস্ট গুইলহার্মে পাসোস জানান, প্রতিটি হোটেলে তারা নিজেদের অস্থায়ী স্বাস্থ্য বিভাগ গড়ে তোলেন।

তিনি বলেন, আমরা যেখানেই থাকি, সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ইউনিট তৈরি করি। আমাদের সঙ্গে সব ধরনের ফিজিওথেরাপি ও চিকিৎসা সরঞ্জাম থাকে। এটি অনেকটা একটি ভ্রাম্যমাণ জরুরি চিকিৎসা সেবার মতো।

বিশ্বকাপ যাত্রার প্রস্তুতি অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। সিবিএফ-এর কর্মকর্তারা আগেভাগেই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও হোটেল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা সম্পন্ন করেন। পুরো কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানে ছিলেন সাধারণ তত্ত্বাবধায়ক সার্জিও ডিমাস এবং লজিস্টিকস সহকারী রেনান ভালিন।

স্বাস্থ্যসামগ্রীর পাশাপাশি দলের লাগেজে রয়েছে প্রশিক্ষণ সামগ্রী, ওষুধ, বিপণন উপকরণ এবং শত শত ইউনিফর্ম।

ব্রাজিলের প্রতিনিধিদলে মোট ৯১ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, স্বাস্থ্য ও পারফরম্যান্স বিশেষজ্ঞ, নিরাপত্তাকর্মী এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত।

দলটি একটি চার্টার্ড বিমানে যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা করেছে, যা খেলোয়াড়দের আরাম নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ মালামাল নিরাপদে পরিবহনে সহায়তা করেছে।

ব্রাজিল দল শুক্রবার পর্যন্ত নিউ জার্সিতে অবস্থান করবে। এরপর তারা ক্লিভল্যান্ডে যাবে, যেখানে শনিবার স্থানীয় সময় অনুযায়ী একটি প্রীতি ম্যাচে মিশরের মুখোমুখি হবে। আগামী ১৩ তারিখ মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow