১২ দিনেও সন্ধান মেলেনি স্কুল থেকে নিখোঁজ শিশুর

ফেনীর দাগনভুঞা উপজেলাধীন ইয়াকুব পুর ইউনিয়নের মুন্সিবাড়ির দরজায় অবস্থিত করমুল্যাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে নিখোঁজ শিশু আজিমুল হক আরাফকে ১২ দিনেও উদ্ধার করা যায়নি। এনিয়ে পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিনাতিপাত করছে। শিশুটির ভাগ্যে কী ঘটছে তা নিয়ে ব্যাকুল হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা। গত ৪ জানুয়ারি সকালে মুন্সিবাড়ির দরজায় অবস্থিত করমুল্যাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাঙ্গণে খেলাধুলা করছিল শিশু আরাফ। তার মা বিবি আয়েশা সে সময় বিদ্যালয়ের বই বিতরণসহ প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। পরে তিনি দেখেন যে আরাফ স্কুলে নেই। পরে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হলেও আজ পর্যন্ত তার সন্ধান মেলেনি। স্কুলের পাশের পুকুরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে তল্লাশি করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক বিবি আয়েশা কর্মসূত্রে প্রতিদিনের মততার ৪ বছর ৩ মাস বয়সী ছেলে সন্তানকে নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করেন। তার বাবা গাজী মোহাম্মদ কাউসার নেসলে কোম্পানির মার্কেটিং অফিসার। আরাফ উক্ত দম্পতির ছোট সন্তান।  আরাফের বাবা গাজী মোহাম্মদ কাউসার কালবেলাকে বলেন, ‘ঘটনার দিন আরাফ তার মায়ের সঙ্গ

১২ দিনেও সন্ধান মেলেনি স্কুল থেকে নিখোঁজ শিশুর
ফেনীর দাগনভুঞা উপজেলাধীন ইয়াকুব পুর ইউনিয়নের মুন্সিবাড়ির দরজায় অবস্থিত করমুল্যাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে নিখোঁজ শিশু আজিমুল হক আরাফকে ১২ দিনেও উদ্ধার করা যায়নি। এনিয়ে পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিনাতিপাত করছে। শিশুটির ভাগ্যে কী ঘটছে তা নিয়ে ব্যাকুল হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা। গত ৪ জানুয়ারি সকালে মুন্সিবাড়ির দরজায় অবস্থিত করমুল্যাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাঙ্গণে খেলাধুলা করছিল শিশু আরাফ। তার মা বিবি আয়েশা সে সময় বিদ্যালয়ের বই বিতরণসহ প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। পরে তিনি দেখেন যে আরাফ স্কুলে নেই। পরে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হলেও আজ পর্যন্ত তার সন্ধান মেলেনি। স্কুলের পাশের পুকুরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে তল্লাশি করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক বিবি আয়েশা কর্মসূত্রে প্রতিদিনের মততার ৪ বছর ৩ মাস বয়সী ছেলে সন্তানকে নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করেন। তার বাবা গাজী মোহাম্মদ কাউসার নেসলে কোম্পানির মার্কেটিং অফিসার। আরাফ উক্ত দম্পতির ছোট সন্তান।  আরাফের বাবা গাজী মোহাম্মদ কাউসার কালবেলাকে বলেন, ‘ঘটনার দিন আরাফ তার মায়ের সঙ্গে স্কুলে গিয়েছিল। সেখান থেকে সে নিখোঁজ হয়। আমরা সম্ভাব্য সব জায়গায় তাকে খুঁজেছি, কোথাও পাইনি। এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। সকল পুকুরে বেড দেওয়া হয়েছে কিন্তু আমার ছেলের কোথাও খোঁজ পাইনি। আমি সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি আমার ছেলেকে যাতে ফিরিয়ে পায়।’ এ বিষয়ে দাগনভুঞা থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমান বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়ে এ বিষয়ে কাজ করছি। ফেনী সীমান্তে বিজিবির মাধ্যমে খবর দেওয়া হয়েছে যাতে সীমান্তে নজরদারি করা যায়। আমরা শিশুটির উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।    

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow