১৪০০ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ‘শেখ হাসিনার চিঠি’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছেন বলে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তা “সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অত্যন্ত ভুল” বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই তথ্য প্রত্যাহারের দাবিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এনডিটিভি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৮ মে লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্সের আইনজীবী স্টিভেন পাউলেস কেসি শেখ হাসিনার পক্ষে এই চিঠি পাঠান। চিঠিতে দাবি করা হয়, ওএইচসিএইচআর-এর প্রতিবেদনে উল্লেখিত নিহতের সংখ্যা অতিরঞ্জিত এবং বিভ্রান্তিকর। সেখানে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু নথি অনুযায়ী প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক কম। আইনি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০২৪ সালের একটি সরকারি গেজেটে নিহত বা ‘শহীদ’ হিসেবে ৮৩৪ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হিসাবে নিহতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫০ জন। চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়, নিহতের সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানো হয়েছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, যাতে আন্

১৪০০ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ‘শেখ হাসিনার চিঠি’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছেন বলে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তা “সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অত্যন্ত ভুল” বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এই তথ্য প্রত্যাহারের দাবিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

এনডিটিভি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৮ মে লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্সের আইনজীবী স্টিভেন পাউলেস কেসি শেখ হাসিনার পক্ষে এই চিঠি পাঠান।

চিঠিতে দাবি করা হয়, ওএইচসিএইচআর-এর প্রতিবেদনে উল্লেখিত নিহতের সংখ্যা অতিরঞ্জিত এবং বিভ্রান্তিকর। সেখানে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু নথি অনুযায়ী প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক কম।

আইনি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০২৪ সালের একটি সরকারি গেজেটে নিহত বা ‘শহীদ’ হিসেবে ৮৩৪ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হিসাবে নিহতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫০ জন।

চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়, নিহতের সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানো হয়েছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, যাতে আন্দোলনকে বৈধতা দেওয়া যায় এবং শেখ হাসিনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে ৪৬ দিনের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান। এই প্রতিবেদন আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

শেখ হাসিনার আইনি দল জাতিসংঘের তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এবং প্রতিবেদনের তথ্য দ্রুত সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে। এ বিষয়ে ওএইচসিএইচআর এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow