১৭ ঘণ্টা পর সুগন্ধা লঞ্চের শতাধিক যাত্রী উদ্ধার

গভীর রাতে ঝড়ের কবলে পড়ে চরে আটকা পড়া ঢাকা-হাতিয়া রুটে চলাচলকারী এমভি সুগন্ধা লঞ্চের শতাধিক যাত্রীকে ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন ভোলা স্টেশনের কালিগঞ্জ কন্টিনজেন্ট কমান্ডার কাজল কুমার নাথ (পিও)-এর নেতৃত্বে একটি দল তাদের উদ্ধার করে ভোলার ইলিশা ঘাটে পৌঁছে দেয়। জানা গেছে, ঢাকা-হাতিয়া রুটে যাত্রী চলাচল সহজ করতে এমভি রূপসা ও এমভি সুগন্ধা নামে দুটি নতুন লঞ্চ সরকারি বরাদ্দে চালু করা হয়। সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার সদরঘাট থেকে এমভি সুগন্ধা লঞ্চটি উদ্বোধনী যাত্রা শুরু করে। তবে যাত্রার প্রথম রাতেই রাত ২টার দিকে লঞ্চটি ইলিশা ঘাটের আগে ঝড়ের কবলে পড়ে। প্রবল ঢেউয়ের তোড়ে লঞ্চটি চর ভৈরবী এলাকায় চরে উঠে আটকা পড়ে। নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে নোঙর করা হয়। পরে ভাটার কারণে পানি কমে গেলে লঞ্চটি আটকে পড়ে। জোয়ার এলেও পানি কম থাকায় সেটিকে ভাসানো সম্ভব হয়নি। লঞ্চের যাত্রী দিনাজ উদ্দিন কোস্ট গার্ডকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রায় ১০০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে একটি স্টিল বডি বোটে করে নিরাপদে ভোলা জেলার ইলিশা লঞ্চ ঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সকল যাত্রী

১৭ ঘণ্টা পর সুগন্ধা লঞ্চের শতাধিক যাত্রী উদ্ধার

গভীর রাতে ঝড়ের কবলে পড়ে চরে আটকা পড়া ঢাকা-হাতিয়া রুটে চলাচলকারী এমভি সুগন্ধা লঞ্চের শতাধিক যাত্রীকে ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন ভোলা স্টেশনের কালিগঞ্জ কন্টিনজেন্ট কমান্ডার কাজল কুমার নাথ (পিও)-এর নেতৃত্বে একটি দল তাদের উদ্ধার করে ভোলার ইলিশা ঘাটে পৌঁছে দেয়।

জানা গেছে, ঢাকা-হাতিয়া রুটে যাত্রী চলাচল সহজ করতে এমভি রূপসা ও এমভি সুগন্ধা নামে দুটি নতুন লঞ্চ সরকারি বরাদ্দে চালু করা হয়। সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার সদরঘাট থেকে এমভি সুগন্ধা লঞ্চটি উদ্বোধনী যাত্রা শুরু করে। তবে যাত্রার প্রথম রাতেই রাত ২টার দিকে লঞ্চটি ইলিশা ঘাটের আগে ঝড়ের কবলে পড়ে। প্রবল ঢেউয়ের তোড়ে লঞ্চটি চর ভৈরবী এলাকায় চরে উঠে আটকা পড়ে। নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে নোঙর করা হয়। পরে ভাটার কারণে পানি কমে গেলে লঞ্চটি আটকে পড়ে। জোয়ার এলেও পানি কম থাকায় সেটিকে ভাসানো সম্ভব হয়নি।

লঞ্চের যাত্রী দিনাজ উদ্দিন কোস্ট গার্ডকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রায় ১০০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে একটি স্টিল বডি বোটে করে নিরাপদে ভোলা জেলার ইলিশা লঞ্চ ঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সকল যাত্রী সুস্থ আছেন। উদ্ধারকারী দল দ্রুততার সঙ্গে চর ভৈরবী এলাকা থেকে উদ্ধার কাজ সম্পন্ন করে। রাত হয়ে গেলে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হতে পারত।

উদ্ধার হওয়া যাত্রী উপসহকারী মেডিকেল অফিসার বিমান চন্দ্র আশ্চর্য বলেন, চরে আটকা পড়ার পর আমরা নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সহযোগিতা চাই। পরে কালিগঞ্জ কোস্ট গার্ডের একটি দল আমাদের উদ্ধার করে নিরাপদে ইলিশা ঘাটে নিয়ে যায়।

কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন ভোলা জেলার আওতাধীন কালিগঞ্জ কন্টিনজেন্ট কমান্ডার কাজল কুমার নাথ (পিও) বলেন, সংবাদ পাওয়ার পর আমি দ্রুত একটি স্টিল বডি নিয়ে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হই। সেখান থেকে ৮০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে ভোলার ইলিশা ঘাটে নিরাপদে পৌঁছে দিয়েছি। তারা রাতে ফারহান ১০ লঞ্চে করে হাতিয়া রওনা করবেন। লঞ্চে থাকা সকল যাত্রী সুস্থ আছেন এবং তাদের সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow