১৯ ঘণ্টা পর ঢাকা-সিলেট রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ ১৯ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে। হবিগঞ্জের মাধবপুরের মনতলায় তেলবাহী ট্রেনের পাঁচটি অয়েল ট্যাংকার ওয়াগন লাইনচ্যুত হওয়ায় এ রুটে রেল চলাচল বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টা রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার ট্রেনটি দুঘর্টনার কবলে পড়ে। পরে রাত এবং বৃহস্পতিবার দিনভর চেষ্টা চালিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ ট্রেনটি উদ্ধার করে। এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অপরদিকে রাতে চুরি হওয়া তেল বিভিন্ন বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে বিজিবি। ঢাকার বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার এবিএম কামরুজ্জামান জানান, বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, একটি ক্রেন টানা উদ্ধার কাজ চালিয়ে তেলবাহী ট্রেনটি উদ্ধার করে। টেকনিক্যাল সমস্য, ওভার স্পিড কিনা সব কিছুই তদন্তের মধ্যে থাকবে। এখনও পর্যন্ত তিনটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। ট্রেনটির ধারণ ক্ষমতা ৩৯ হাজার লিটার তেল। আমরা নিশ্চিত

১৯ ঘণ্টা পর ঢাকা-সিলেট রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ ১৯ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে। হবিগঞ্জের মাধবপুরের মনতলায় তেলবাহী ট্রেনের পাঁচটি অয়েল ট্যাংকার ওয়াগন লাইনচ্যুত হওয়ায় এ রুটে রেল চলাচল বন্ধ ছিল।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টা রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার ট্রেনটি দুঘর্টনার কবলে পড়ে। পরে রাত এবং বৃহস্পতিবার দিনভর চেষ্টা চালিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ ট্রেনটি উদ্ধার করে।

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অপরদিকে রাতে চুরি হওয়া তেল বিভিন্ন বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে বিজিবি।

ঢাকার বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার এবিএম কামরুজ্জামান জানান, বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একটি ক্রেন টানা উদ্ধার কাজ চালিয়ে তেলবাহী ট্রেনটি উদ্ধার করে। টেকনিক্যাল সমস্য, ওভার স্পিড কিনা সব কিছুই তদন্তের মধ্যে থাকবে। এখনও পর্যন্ত তিনটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। ট্রেনটির ধারণ ক্ষমতা ৩৯ হাজার লিটার তেল। আমরা নিশ্চিত নই কতটুকু নষ্ট হয়েছে। তবে ধারণা দুই ওয়াগন পুরোপুরি ঠিক আছে। একটি ৯০ শতাংশ ঠিক আছে। অন্য দু’টিতে ৭০ শতাংশ তেল ঠিক আছে। ক্ষয়ক্ষতি আপাতত নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। সেটি তদন্ত কমিটি ঠিক করবে।

হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজিলুর রহমান জানান, সেনাবাহিনী ও বিজিবির উদ্ধারকারী দল নিজস্ব উদ্যোগে ড্রাম ও জারকিন সংগ্রহ করে প্রায় এক হাজার লিটার ডিজেল সংরক্ষণ করেছে। এ উদ্যোগের ফলে সরকারি সম্পদের অপচয় রোধের পাশাপাশি দুর্ঘটনাস্থলে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখাও সম্ভব হয়েছে।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow