২ মিনিটে যেভাবে পাবেন ভাইরাল ঠোঁটের লুক

সাজগোজ ও সৌন্দর্যের জগতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ট্রেন্ড জন্ম নিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এসব ট্রেন্ড খুব দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং অল্প সময়েই মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছে যায়। সাম্প্রতিক সময়ে এমনই একটি আলোচিত ট্রেন্ড হলো জিম লিপস। নামটি শুনে অনেকে মনে করতে পারেন এটি জিমে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ব্যায়াম বা চিকিৎসা পদ্ধতি। কিন্তু বাস্তবে এটি সম্পূর্ণভাবে একটি মেকআপ এবং বিউটি ট্রেন্ড, যা মূলত ঠোঁটের প্রাকৃতিক ও আকর্ষণীয় লুক তৈরি করার একটি নতুন স্টাইল। জিম লিপস আসলে কী জিম লিপস হলো এমন একটি মেকআপ স্টাইল, যেখানে ঠোঁটকে দেখানো হয় স্বাভাবিকভাবে ভরাট, হালকা গোলাপি এবং সতেজ। এই লুক দেখে মনে হয় যেন ব্যায়াম করার পর শরীরের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে ঠোঁটে প্রাকৃতিক লালচে আভা এসেছে। সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি খুব বেশি মেকআপের মতো বোঝা যায় না বরং একেবারে ন্যাচারাল সৌন্দর্যের মতো দেখায়। এই ট্রেন্ডের ধারণা প্রথম জনপ্রিয় হয় ২০২২ সালে নিউইয়র্কের একজন রূপটান শিল্পীর মাধ্যমে। তিনি খুব সহজ কিন্তু আকর্ষণীয় একটি ঠোঁটের লুক তৈরি করেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে এটি জিম লিপস নামে পরিচিত হ

২ মিনিটে যেভাবে পাবেন ভাইরাল ঠোঁটের লুক

সাজগোজ ও সৌন্দর্যের জগতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ট্রেন্ড জন্ম নিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এসব ট্রেন্ড খুব দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং অল্প সময়েই মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছে যায়। সাম্প্রতিক সময়ে এমনই একটি আলোচিত ট্রেন্ড হলো জিম লিপস।

নামটি শুনে অনেকে মনে করতে পারেন এটি জিমে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ব্যায়াম বা চিকিৎসা পদ্ধতি। কিন্তু বাস্তবে এটি সম্পূর্ণভাবে একটি মেকআপ এবং বিউটি ট্রেন্ড, যা মূলত ঠোঁটের প্রাকৃতিক ও আকর্ষণীয় লুক তৈরি করার একটি নতুন স্টাইল।

জিম লিপস আসলে কী

জিম লিপস হলো এমন একটি মেকআপ স্টাইল, যেখানে ঠোঁটকে দেখানো হয় স্বাভাবিকভাবে ভরাট, হালকা গোলাপি এবং সতেজ। এই লুক দেখে মনে হয় যেন ব্যায়াম করার পর শরীরের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে ঠোঁটে প্রাকৃতিক লালচে আভা এসেছে।

সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি খুব বেশি মেকআপের মতো বোঝা যায় না বরং একেবারে ন্যাচারাল সৌন্দর্যের মতো দেখায়। এই ট্রেন্ডের ধারণা প্রথম জনপ্রিয় হয় ২০২২ সালে নিউইয়র্কের একজন রূপটান শিল্পীর মাধ্যমে।

তিনি খুব সহজ কিন্তু আকর্ষণীয় একটি ঠোঁটের লুক তৈরি করেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে এটি জিম লিপস নামে পরিচিত হয়ে ওঠে এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

jago

জিম লিপস নাম কেন দেওয়া হয়েছে

এই নামের পেছনে রয়েছে একটি বিশেষ ধারণা। জিমে ব্যায়াম করার সময় শরীরে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়, যার ফলে মুখ এবং ঠোঁটে স্বাভাবিকভাবে লালচে আভা আসে এবং ঠোঁট কিছুটা ভরাট দেখায়। জিম লিপস ট্রেন্ড সেই প্রাকৃতিক পরিবর্তনকে অনুকরণ করে তৈরি করা হয়েছে।

এর উদ্দেশ্য হলো এমন একটি লুক তৈরি করা, যা দেখে মনে হবে না যে ভারী মেকআপ করা হয়েছে। বরং মনে হবে এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক সৌন্দর্য, যা শরীরচর্চা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ফল।

যেভাবে তৈরি হয় জিম লিপস লুক

জিম লিপস তৈরি করতে খুব বেশি উপকরণ লাগে না। সাধারণত লিপলাইনার ব্যবহার করে ঠোঁটের প্রাকৃতিক সীমার একটু বাইরে হালকা আউটলাইন দেওয়া হয়, যাতে ঠোঁট কিছুটা ভরাট দেখায়। এরপর ঠোঁটের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে হালকা লিপ বাম বা লিপ জেল ব্যবহার করা হয়, যা ঠোঁটকে নরম ও আর্দ্র রাখে।

অনেকেই এর ওপর হালকা লিপ গ্লস ব্যবহার করেন, যাতে ঠোঁটে একটি ভেজা এবং সতেজ ভাব আসে। পুরো প্রক্রিয়াটি খুবই হালকা এবং দ্রুত করা যায়, সাধারণত মাত্র কয়েক মিনিটেই এই লুক তৈরি করা সম্ভব।

কেন এত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

বর্তমান সময়ে ন্যাচারাল বিউটি ট্রেন্ড অনেক জনপ্রিয়। মানুষ এখন এমন সৌন্দর্য পছন্দ করে, যা দেখে বোঝা যায় না যে অতিরিক্ত মেকআপ ব্যবহার করা হয়েছে। জিম লিপস ঠিক সেই চাহিদাকেই পূরণ করে।

এটি খুব সহজে করা যায়, সময় কম লাগে এবং প্রায় সব ধরনের অনুষ্ঠানে মানিয়ে যায়। অফিস, পার্টি কিংবা সাধারণ দৈনন্দিন জীবন, সব জায়গাতেই এই লুক ব্যবহার করা সম্ভব। তাই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, ভোগ

এসএকেওয়াই

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow