২০২ ব্যবসায়ীকে ডিজিটাল পরিচয়পত্র দিল ডিএনসিসি

রাজধানীর মিরপুর ১, ২ ও ১০ এর মুলসড়কে ভ্রাম্যমাণ ২ শতাধিক ব্যবসায়ীর (হকার) মাঝে ডিজিটাল পরিচয়পত্র বিতরণ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এই পরিচয়পত্রের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের বৈধতা দেওয়াসহ ব্যবসার জন্য বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে ডিএনসিসির নগর ভবনে হকারদের ডিজিটাল পরিচয়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান। প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা আগেই হকারদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত নিয়েছি। তারা নিজেরাও অবৈধভাবে ব্যবসা করতে চান না। সে অনুযায়ী পুলিশের সহযোগিতায় একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে হকারদের বিকল্প স্থানে স্থানান্তর করা হবে। এদিন মোট ২০২ জন হকারের মাঝে ডিজিটাল পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০২ জনকে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৩ ওয়াসা রোডে এবং বাকি ১০০ জনকে গাবতলী কাঁচা বাজার সংলগ্ন ফাঁকা স্থানে স্থানান্তর করা হচ্ছে। তালিকাভুক্ত মোট হকারের সংখ্যা ৮২৯ জন। বাকি হকারদেরও পর্যায়ক্রমে প

২০২ ব্যবসায়ীকে ডিজিটাল পরিচয়পত্র দিল ডিএনসিসি

রাজধানীর মিরপুর ১, ২ ও ১০ এর মুলসড়কে ভ্রাম্যমাণ ২ শতাধিক ব্যবসায়ীর (হকার) মাঝে ডিজিটাল পরিচয়পত্র বিতরণ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এই পরিচয়পত্রের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের বৈধতা দেওয়াসহ ব্যবসার জন্য বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে ডিএনসিসির নগর ভবনে হকারদের ডিজিটাল পরিচয়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা আগেই হকারদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত নিয়েছি। তারা নিজেরাও অবৈধভাবে ব্যবসা করতে চান না। সে অনুযায়ী পুলিশের সহযোগিতায় একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে হকারদের বিকল্প স্থানে স্থানান্তর করা হবে।

এদিন মোট ২০২ জন হকারের মাঝে ডিজিটাল পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০২ জনকে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৩ ওয়াসা রোডে এবং বাকি ১০০ জনকে গাবতলী কাঁচা বাজার সংলগ্ন ফাঁকা স্থানে স্থানান্তর করা হচ্ছে।

তালিকাভুক্ত মোট হকারের সংখ্যা ৮২৯ জন। বাকি হকারদেরও পর্যায়ক্রমে পরিচয়পত্র প্রদান করে নির্ধারিত স্থানে স্থানান্তর করা হবে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, স্থানান্তরের জন্য স্বল্প সময় দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের পর পুরোনো স্থানে হকার পাওয়া গেলে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে হকারদের জীবিকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দিয়েছেন। যাতে তারা নির্বিঘ্নে বৈধভাবে ব্যবসা করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে রাজধানীর ৬ মাঠে হকার পুনর্বাসনের প্রস্তাব পেয়েছিলাম। কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এসব মাঠে শিশু-কিশোররা খেলাধুলা করে। তাই মাঠগুলো পুনর্বাসনের জন্য ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যতে হকারদের জন্য পৃথক ‘হকার্স মার্কেট’ গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে হকারদের নির্ধারিত স্থানের বাইরে ব্যবসা না করা এবং স্থায়ী কোনো কাঠামো নির্মাণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একটি মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে স্থানান্তর কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। কমিটিতে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) যুক্ত থাকবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসানসহ ডিএমপি ও ডিএনসিসির কর্মকর্তাবৃন্দ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow