২০৩০ বিশ্বকাপ ফাইনালের ভেন্যু প্রস্তাব করলেন ফিফা সভাপতি
২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল মরক্কোকে আয়োজত করার প্রস্তাব দিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এতে যৌথ আয়োজক স্পেন ও পর্তুগালের পরিবর্তে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কা শহরে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসের এক প্রতিবেদনে এমনটা জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মরক্কো প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার নির্মাণাধীন হাসান-২ স্টেডিয়ামে ফাইনাল আয়োজন করতে চায়। এমন এক সময়ে এই সিদ্ধান্ত এসেছে যখন ফিফা সভাপতিকে নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। বিশ্বকাপসহ ফিফা বাকিসব টুর্নামেন্টেও বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা সামনে এনে সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি। বিশ্বের বড় সকল মহাদেশীয় ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাই প্রতিবাদ জানায় এই পরিকল্পনার। উয়েফা জানায় বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকিও। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন তিনি। পর্তুগালের সাবেক কিংবদন্তি লুইস ফিগো, যিনি ২০১৫ সালে ফিফা সভাপতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা করেও পরে সরে দাঁড়িয়েছিলেন, ইনফান্তিনোর আচরণকে আখ্যা দিয়েছেন ‘সবচেয়ে নিচু, প্রতারণাপূর্ণ এবং আত্মস্বার্থে পরিপূর্ণ’ বলে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে এক
২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল মরক্কোকে আয়োজত করার প্রস্তাব দিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এতে যৌথ আয়োজক স্পেন ও পর্তুগালের পরিবর্তে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কা শহরে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসের এক প্রতিবেদনে এমনটা জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মরক্কো প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার নির্মাণাধীন হাসান-২ স্টেডিয়ামে ফাইনাল আয়োজন করতে চায়।
এমন এক সময়ে এই সিদ্ধান্ত এসেছে যখন ফিফা সভাপতিকে নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। বিশ্বকাপসহ ফিফা বাকিসব টুর্নামেন্টেও বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা সামনে এনে সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি। বিশ্বের বড় সকল মহাদেশীয় ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাই প্রতিবাদ জানায় এই পরিকল্পনার। উয়েফা জানায় বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকিও। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন তিনি।
পর্তুগালের সাবেক কিংবদন্তি লুইস ফিগো, যিনি ২০১৫ সালে ফিফা সভাপতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা করেও পরে সরে দাঁড়িয়েছিলেন, ইনফান্তিনোর আচরণকে আখ্যা দিয়েছেন ‘সবচেয়ে নিচু, প্রতারণাপূর্ণ এবং আত্মস্বার্থে পরিপূর্ণ’ বলে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে এক কলামে তিনি লেখে, ‘ফিফার সমস্যাগুলো নিয়ে আমি ১০ হাজার শব্দ লিখতে পারি। কিন্তু সমাধান মাত্র তিনটি শব্দে — ইনফান্তিনোকে যেতে হবে।’
যদি সত্যিই বিশ্বকাপের ফাইনাল মরক্কোতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়, তবে এটি স্পেনের জন্য বড় ধাক্কা হবে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ২০৩০ বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক এবং সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামে ফাইনাল আয়োজনের পরিকল্পনা করে আসছে।
আগামী বছরের মার্চে মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৭ ফিফা কংগ্রেসে সভাপতির নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। দ্য টাইমসের দাবি, মরক্কোকে ফাইনাল আয়োজনের এই প্রস্তাব ইনফান্তিনোর রাজনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করার কৌশলের ইঙ্গিত বহন করে।
আইএন
What's Your Reaction?