২৪ ঘণ্টায় ৪ ঘণ্টাও থাকে না বিদ্যুৎ

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় তীব্র দাবদাহের মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং। ফলে জনজীবনে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ পাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রেও পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব।  গ্রাহকদের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টায় ৪ ঘণ্টাও মিলছে না বিদ্যুৎ৷ কিছু কিছু এলাকায় ৩ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কখনো বিদ্যুৎ এলেও তা ১৫-২০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না। ফলে ঘরোয়া কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য সবখানেই বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীরা।  জানা গেছে, জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মাদারগঞ্জ জোনাল অফিস ও কয়ড়া সাব জোনাল অফিসের আওতায় উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় প্রায় এক লাখের মতো গ্রাহক রয়েছে। এতে দৈনিক বিদ্যুৎতের চাহিদা রয়েছে ২৫-২৮ মেগাওয়াট। কিন্তু মিলছে ৭ মেগাওয়াট।  পৌরশহরের জোনাইল চাইলেনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা আসাদুজ্জামান অপু বলেন, আমরা ২৪ ঘণ্টায় ৩ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। এই ৩ ঘণ্টার ভিতরে সারারাতে ২ ঘণ্টা পাওয়া যায়৷ সারাদিনে সবমিলিয়ে ১ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পাচ্ছ

২৪ ঘণ্টায় ৪ ঘণ্টাও থাকে না বিদ্যুৎ

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় তীব্র দাবদাহের মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং। ফলে জনজীবনে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ পাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রেও পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। 

গ্রাহকদের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টায় ৪ ঘণ্টাও মিলছে না বিদ্যুৎ৷ কিছু কিছু এলাকায় ৩ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কখনো বিদ্যুৎ এলেও তা ১৫-২০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না। ফলে ঘরোয়া কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য সবখানেই বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীরা। 

জানা গেছে, জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মাদারগঞ্জ জোনাল অফিস ও কয়ড়া সাব জোনাল অফিসের আওতায় উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় প্রায় এক লাখের মতো গ্রাহক রয়েছে। এতে দৈনিক বিদ্যুৎতের চাহিদা রয়েছে ২৫-২৮ মেগাওয়াট। কিন্তু মিলছে ৭ মেগাওয়াট। 

পৌরশহরের জোনাইল চাইলেনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা আসাদুজ্জামান অপু বলেন, আমরা ২৪ ঘণ্টায় ৩ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। এই ৩ ঘণ্টার ভিতরে সারারাতে ২ ঘণ্টা পাওয়া যায়৷ সারাদিনে সবমিলিয়ে ১ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। এই তীব্র গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় সন্তানদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। আমরা খুব কষ্টে আছি। 

একই এলাকার বৃদ্ধা রাহেলা বেগম বলেন, ‘কারেন্ট তো থাহেইনে, আমরা কুলেবেরই পাইনে৷ পেশারআলা মানুষ, অসুস্থ হয়ে যাইগে। আঙ্গেরে কারেন্ট কি জন্য দেইনা। আমরা বিল বাহি রাহিনে৷ আপনেরা কারেন্ট কিবে আনবেন আইনে দেন।’ 

জোনাইল এলাকার বাসিন্দা হামিদুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ সংকটে ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে খুব সমস্যায় পড়েছি। এভাবে লোডশেডিং মেনে নেওয়া যায় না। 

গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ এলাকার শপিং ব্যাগ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার এম আর বাদশা বলেন বিদ্যুতের অভাবে ব্যাগ উৎপাদনের কাজও করতে পারছি না। বিকল্প হিসেবে জেনারেটর চালাবো তেলও পাচ্ছিনা৷ খুবই খারাপ সময় পার করছি৷ সরকারের কাছে দ্রুত সমাধানের দাবি জানাচ্ছি। 

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক এসএসসি পরিক্ষার্থী বলেন, অসহ্য গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনা করতে আমাদের কষ্ট হচ্ছে৷ এভাবে চলতে থাকলে আমাদের পরীক্ষা খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, আমাদের দুটি অফিসের আওতায় মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্রায় এক লাখের মতো গ্রাহক রয়েছে। এতে দৈনিক ২৫-২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। কিন্তু আমরা বরাদ্দ পাচ্ছি মাত্র ৭ মেগাওয়াট। এর ফলে এমন লোডশেডিং হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow