৩১টি ইরানি জাহাজ ঘুরিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী

ইরানের এখন পর্যন্ত ৩১টি তেলবাহী জাহাজকে তাদের পথ পরিবর্তন করতে বা বন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। সংস্থাটি জানায়, ইরানের ওপর সমুদ্রপথে আরোপিত অবরোধ কার্যকর করার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই অভিযান পরিচালনা করছে মার্কিন নৌবাহিনী। খবরে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের বন্দরে যাওয়া ও সেখান থেকে বের হওয়া সব জাহাজকে লক্ষ্য করা হচ্ছে। তিনি এই অভিযানকে অর্থনৈতিক চাপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে নিষেধাজ্ঞা, বন্দর নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজ আটক করার মতো পদক্ষেপ রয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, এই অবরোধের কারণে ইরানের প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি ডলারের ক্ষতি হচ্ছে। অন্যদিকে জ্বালানি বিশ্লেষণ সংস্থা ভরটেক্সা বলছে, এখনো অন্তত ৩৪টি তেলবাহী জাহাজ অবরোধ এড়িয়ে চলাচল করছে। এর মধ্যে কিছু জাহাজ উপসাগর ছাড়ছে, আবার কিছু আরব সাগর হয়ে ইরানের দিকে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কয়েকটি জাহাজ তাদের শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বন্ধ করে গন্তব্য গোপন রাখার চেষ্

৩১টি ইরানি জাহাজ ঘুরিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী

ইরানের এখন পর্যন্ত ৩১টি তেলবাহী জাহাজকে তাদের পথ পরিবর্তন করতে বা বন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

সংস্থাটি জানায়, ইরানের ওপর সমুদ্রপথে আরোপিত অবরোধ কার্যকর করার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই অভিযান পরিচালনা করছে মার্কিন নৌবাহিনী।

খবরে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের বন্দরে যাওয়া ও সেখান থেকে বের হওয়া সব জাহাজকে লক্ষ্য করা হচ্ছে। তিনি এই অভিযানকে অর্থনৈতিক চাপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে নিষেধাজ্ঞা, বন্দর নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজ আটক করার মতো পদক্ষেপ রয়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, এই অবরোধের কারণে ইরানের প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি ডলারের ক্ষতি হচ্ছে।

অন্যদিকে জ্বালানি বিশ্লেষণ সংস্থা ভরটেক্সা বলছে, এখনো অন্তত ৩৪টি তেলবাহী জাহাজ অবরোধ এড়িয়ে চলাচল করছে। এর মধ্যে কিছু জাহাজ উপসাগর ছাড়ছে, আবার কিছু আরব সাগর হয়ে ইরানের দিকে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কয়েকটি জাহাজ তাদের শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বন্ধ করে গন্তব্য গোপন রাখার চেষ্টা করছে। উদাহরণ হিসেবে ‘ডোরেনা’ নামের একটি বড় ট্যাংকারের কথা বলা হয়েছে, যা মালয়েশিয়ার উপকূলে ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ করে তেল স্থানান্তর করছিল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow