৩২ বার এভারেস্ট জয়, নতুন রেকর্ড গড়লেন নেপালি শেরপা
বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টে ৩২তম বার আরোহণ করে নতুন ইতিহাস গড়েছেন নেপালের খ্যাতিমান শেরপা গাইড কামি রিতা শেরপা। রোববার তিনি এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছে নিজের আগের রেকর্ড ভেঙেছেন।
রোববার (১৭ মে) রয়টার্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৫৬ বছর বয়সী কামি রিতা স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১২ মিনিটে ৮ হাজার ৮৪৯ মিটার উচ্চতার এভারেস্ট শৃঙ্গে পৌঁছান। তিনি ‘১৪ পিকস এক্সপেডিশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিদেশি পর্বতারোহীদের গাইড হিসেবে অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন।
নেপালের পর্যটন বিভাগ এক বিবৃতিতে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে এটিকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের পর্যটন প্রসারে তার অবদানেরও প্রশংসা করা হয়।
কামি রিতা শেরপার জন্ম সোলুখুম্বু জেলার থামে গ্রামে। একই গ্রামে জন্ম নিয়েছিলেন কিংবদন্তি পর্বতারোহী তেনজিং নোরগেও। ১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারির সঙ্গে প্রথমবারের মতো এভারেস্ট জয় করেন তেনজিং নোরগে।
কামি রিতা প্রথম এভারেস্টে আরোহণ করেন ১৯৯৪ সালে। এরপর ২০১৪, ২০১৫ ও ২০২০ সাল ছাড়া প্রায় প্রতি বছরই তিনি শৃঙ্গ জয় করেছেন। কিছু বছরে তিনি দুবারও এভারেস্টে উঠেছেন।
শেরপা
বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টে ৩২তম বার আরোহণ করে নতুন ইতিহাস গড়েছেন নেপালের খ্যাতিমান শেরপা গাইড কামি রিতা শেরপা। রোববার তিনি এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছে নিজের আগের রেকর্ড ভেঙেছেন।
রোববার (১৭ মে) রয়টার্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৫৬ বছর বয়সী কামি রিতা স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১২ মিনিটে ৮ হাজার ৮৪৯ মিটার উচ্চতার এভারেস্ট শৃঙ্গে পৌঁছান। তিনি ‘১৪ পিকস এক্সপেডিশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিদেশি পর্বতারোহীদের গাইড হিসেবে অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন।
নেপালের পর্যটন বিভাগ এক বিবৃতিতে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে এটিকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের পর্যটন প্রসারে তার অবদানেরও প্রশংসা করা হয়।
কামি রিতা শেরপার জন্ম সোলুখুম্বু জেলার থামে গ্রামে। একই গ্রামে জন্ম নিয়েছিলেন কিংবদন্তি পর্বতারোহী তেনজিং নোরগেও। ১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারির সঙ্গে প্রথমবারের মতো এভারেস্ট জয় করেন তেনজিং নোরগে।
কামি রিতা প্রথম এভারেস্টে আরোহণ করেন ১৯৯৪ সালে। এরপর ২০১৪, ২০১৫ ও ২০২০ সাল ছাড়া প্রায় প্রতি বছরই তিনি শৃঙ্গ জয় করেছেন। কিছু বছরে তিনি দুবারও এভারেস্টে উঠেছেন।
শেরপা নন এমন পর্বতারোহীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৯ বার এভারেস্ট জয়ের রেকর্ড রয়েছে ব্রিটিশ গাইড কেনটন কুলের। তার পর রয়েছেন মার্কিন পর্বতারোহী ডেভ হান ও গ্যারেট ম্যাডিসন, যারা ১৫ বার করে এভারেস্ট জয় করেছেন। কেনটন কুল ও গ্যারেট ম্যাডিসন বর্তমানে আবারও এভারেস্ট অভিযানে রয়েছেন।
বিদেশি পর্বতারোহীদের গাইড হিসেবে কাজ করা সোলুখুম্বু অঞ্চলের বহু শেরপা পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস। চলতি মার্চ-মে মৌসুমে এভারেস্ট আরোহণের জন্য ৪৯২টি অনুমতি দিয়েছে নেপাল সরকার। তবে এ মাসে এভারেস্টে তিন নেপালি পর্বতারোহীর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।