৪.১১ জিপিএ পেয়ে পাস, ফল জানার আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে

এসএসসি পরীক্ষায় ৪.১১ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সানশাইন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী কাজী রেজা (১৬)। তবে নিজের সেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আর জানা হলো না তার। ফল প্রকাশের ঠিক একদিন আগে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় মারা যান তিনি। কাজী রেজা উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের চক্রামপুর গ্রামের কাজীবাড়ির কাজী আলফু মিয়ার ছেলে। এ বছর সানশাইন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হন রেজা। পরে তার মৃত্যু হয়। তখন পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা অপেক্ষায় ছিলেন পরদিন প্রকাশিতব্য এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের জন্য। সোমবার এসএসসির ফল প্রকাশের পর জানা যায়, কাজী রেজা ৪.১১ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। কিন্তু যে ফলাফলের জন্য রেজা ও তার পরিবার অপেক্ষা করছিল, সেই ফল হাতে আসার আগেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। রেজার ফলাফল জানার পর পরিবারে স্বজনদের মাঝে একদিকে যেমন তার সাফল্যের খবর, অন্যদিকে তেমনি প্রিয় সন্তানকে হারানোর বেদনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। আনন্দের মুহূর্তটি পরিণত হয় গভীর শোকে। একমাত্র সন্ত

৪.১১ জিপিএ পেয়ে পাস, ফল জানার আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে

এসএসসি পরীক্ষায় ৪.১১ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সানশাইন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী কাজী রেজা (১৬)। তবে নিজের সেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আর জানা হলো না তার। ফল প্রকাশের ঠিক একদিন আগে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় মারা যান তিনি।

কাজী রেজা উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের চক্রামপুর গ্রামের কাজীবাড়ির কাজী আলফু মিয়ার ছেলে। এ বছর সানশাইন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হন রেজা। পরে তার মৃত্যু হয়। তখন পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা অপেক্ষায় ছিলেন পরদিন প্রকাশিতব্য এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের জন্য।

সোমবার এসএসসির ফল প্রকাশের পর জানা যায়, কাজী রেজা ৪.১১ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। কিন্তু যে ফলাফলের জন্য রেজা ও তার পরিবার অপেক্ষা করছিল, সেই ফল হাতে আসার আগেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। রেজার ফলাফল জানার পর পরিবারে স্বজনদের মাঝে একদিকে যেমন তার সাফল্যের খবর, অন্যদিকে তেমনি প্রিয় সন্তানকে হারানোর বেদনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। আনন্দের মুহূর্তটি পরিণত হয় গভীর শোকে।

একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকাহত বাবা-মা ও স্বজনরা। সহপাঠীর আকস্মিক মৃত্যুর খবরেও ভেঙে পড়েছেন তার বন্ধুরা। রেজার এমন অকাল মৃত্যুতে শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চক্রামপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে কাজী রেজার জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

রেজার পরিবার ও স্থানীয়দের জন্য ৪.১১ জিপিএ যেন আজ স্বজনদের কাছে আনন্দের নয়, বরং এক অশ্রুসিক্ত স্মৃতি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow