৫১ বিজিবির উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

নীলফামারীর ডোমারে রংপুর ব্যাটালিয়নের (৫১ বিজিবি) উদ্যোগে সীমান্তবর্তী এলাকার এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (০১ মে) সকাল ১০টায় জেলার ডোমার উপজেলার চিলাহাটি কেতকীবাড়ি বিওপি ক্যাম্পে এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর ব্যাটালিয়নের (৫১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজিউর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল হক, বালাপাড়া কোম্পানির কমান্ডার মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং কেতকীবাড়ি বিওপির হাবিলদার মোহাম্মদ আলীসহ অন্যরা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজিউর রহমান বলেন, দেশের সীমান্ত যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষও বিজিবির কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা বিজিবির দায়িত্ব এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত অঞ্চলে শিক্ষার বিস্তার এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিজিবি এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করছে। বিশেষ করে এতিম শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সহযোগিতা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ প

৫১ বিজিবির উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

নীলফামারীর ডোমারে রংপুর ব্যাটালিয়নের (৫১ বিজিবি) উদ্যোগে সীমান্তবর্তী এলাকার এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (০১ মে) সকাল ১০টায় জেলার ডোমার উপজেলার চিলাহাটি কেতকীবাড়ি বিওপি ক্যাম্পে এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর ব্যাটালিয়নের (৫১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজিউর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল হক, বালাপাড়া কোম্পানির কমান্ডার মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং কেতকীবাড়ি বিওপির হাবিলদার মোহাম্মদ আলীসহ অন্যরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজিউর রহমান বলেন, দেশের সীমান্ত যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষও বিজিবির কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা বিজিবির দায়িত্ব এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত অঞ্চলে শিক্ষার বিস্তার এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিজিবি এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করছে। বিশেষ করে এতিম শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সহযোগিতা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা ভবিষ্যতে শিক্ষার প্রসারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

এতিমখানার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বিজিবির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সীমান্ত অঞ্চলের অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ থেকে বঞ্চিত হয়। বিজিবির এই সহায়তা তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে।

উল্লেখ্য, এ কর্মসূচির আওতায় ৩৩ এতিমখানার মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মাঝে খাদ্যসামগ্রী হিসেবে চাল, আটা, তেল, চিনি ও ডাল এবং শিক্ষা উপকরণ হিসেবে খাতা, কলম, পেন্সিল ও স্কেল বিতরণ করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow