৫২০ নয়, কুমিল্লায় বরাদ্দ এসেছে ৫০০ কার্টন খেজুর: জেলা প্রশাসক
সৌদি সরকারের পাঠানো উপহারের খেজুর থেকে কুমিল্লার জন্য ৫০০ কার্টন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। তিনি জানান, ঢাকা থেকে কুমিল্লায় ৫০০ কার্টন খেজুর পাঠানা হয়। পরে সেগুলো জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে সবগুলো উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে। এর আগে গত ১ মার্চ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে কুমিল্লার জন্য ৫২০ কার্টন খেজুর বরাদ্দের কথা জানানো হয়। পরবর্তীতে এটি সংশোধন করে ৫০০ কার্টন বরাদ্দ জানিয়ে পুনরায় ওই ওয়েবসাইটে নোটিশটি আপলোড করা হয়। এরই মধ্যে বিভিন্ন মহল ২০ কার্টন খেজুর উধাও উল্লেখ করে সমালোচনা শুরু হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার (৮ মার্চ) সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কুমিল্লার জন্য ৫০০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়। এরপর ৮ ও ৯ মার্চ দুদিনে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. জাবেদ আলী ১৭টি উপজেলার জনসংখ্যার অনুপাতে ৫০০ কার্টন খেজুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর পাঠান। ওই তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দাউদকান্দি উপজেলায় ৩৯ কার্টন, মেঘনায় ২০, হোমনায় ২৪, তিতাসে ২৩, মুরাদনগরে ৫৫, দেবিদ্বারে ৩৯, বুড়িচংয়ে ২১, ব্রাহ্মণপাড়ায় ২০, আদর্শ সদর ২১, কুমিল্লা
সৌদি সরকারের পাঠানো উপহারের খেজুর থেকে কুমিল্লার জন্য ৫০০ কার্টন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান।
তিনি জানান, ঢাকা থেকে কুমিল্লায় ৫০০ কার্টন খেজুর পাঠানা হয়। পরে সেগুলো জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে সবগুলো উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১ মার্চ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে কুমিল্লার জন্য ৫২০ কার্টন খেজুর বরাদ্দের কথা জানানো হয়। পরবর্তীতে এটি সংশোধন করে ৫০০ কার্টন বরাদ্দ জানিয়ে পুনরায় ওই ওয়েবসাইটে নোটিশটি আপলোড করা হয়। এরই মধ্যে বিভিন্ন মহল ২০ কার্টন খেজুর উধাও উল্লেখ করে সমালোচনা শুরু হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার (৮ মার্চ) সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কুমিল্লার জন্য ৫০০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়। এরপর ৮ ও ৯ মার্চ দুদিনে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. জাবেদ আলী ১৭টি উপজেলার জনসংখ্যার অনুপাতে ৫০০ কার্টন খেজুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর পাঠান।
ওই তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দাউদকান্দি উপজেলায় ৩৯ কার্টন, মেঘনায় ২০, হোমনায় ২৪, তিতাসে ২৩, মুরাদনগরে ৫৫, দেবিদ্বারে ৩৯, বুড়িচংয়ে ২১, ব্রাহ্মণপাড়ায় ২০, আদর্শ সদর ২১, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ১৮, চান্দিনায় ৩৪, বরুড়া ৩৯, লাকসামে ২১, মনোহরগঞ্জে ২৮, নাঙ্গলকোটে ৪১, লালমাইতে ২৩ এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ৩৪ কার্টন বিতরণ করা হয়েছে। তবে হিসাব অনুযায়ী ২০ কার্টন খেজুরের হদিস মিলছে না।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. জাবেদ আলী বলেন, ‘আমাদের ৫০০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়েছে। প্রাপ্ত খেজুর আমরা আনুপাতিক হারে কুমিল্লার ১৭ উপজেলায় বণ্টন করেছি।’
জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, ‘দেশব্যাপী প্রথম যে তালিকাটা প্রকাশ করা হয়েছে, পরে সেটি কারেকশন করা হয়েছে। কুমিল্লায় ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছে। এরইমধ্যে তা সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসাব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে দেবিদ্বারে ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এ তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।
জাহিদ পাটোয়ারী/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?