৬ ব্যাংক থেকে কেনা হলো আরও ১০ কোটি ডলার
রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনা শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে প্রতি ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয় ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। এর আগে বুধবার (২০ মে) ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৭০ মিলিয়ন বা ৭ কোটি কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তার আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৮৫ মিলিয়ন বা ৮ কোটি ৫০ লাখ কোটি এবং সোমবার (১৮ মে) ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে প্রতি ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাংক থেকে মোট ৬ দশমিক ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসে
রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনা শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে প্রতি ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয় ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
এর আগে বুধবার (২০ মে) ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৭০ মিলিয়ন বা ৭ কোটি কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
তার আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৮৫ মিলিয়ন বা ৮ কোটি ৫০ লাখ কোটি এবং সোমবার (১৮ মে) ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে প্রতি ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাংক থেকে মোট ৬ দশমিক ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বাজারে ডলারের দাম অতিরিক্ত কমে গেলে রপ্তানিকারক ও প্রবাসী আয় প্রেরণকারীরা নিরুৎসাহিত হতে পারেন। সে কারণে ডলারের দর একটি নির্দিষ্ট সীমার নিচে নেমে যাওয়া ঠেকাতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরেই বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় ডলার কেনাবেচা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে বড় অঙ্কের ডলার বিক্রি করা হলেও চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ধীরে ধীরে ডলার কেনার মাধ্যমে রিজার্ভের ওপর চাপ কমানোর কৌশল নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
অর্থনীতিবিদদের মতে, সর্বশেষ এ ডলার ক্রয়ের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কিছুটা শক্তিশালী হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভের চাপ ও বৈদেশিক লেনদেন ঘাটতির কারণে এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিটি পদক্ষেপই মুদ্রাবাজারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। ফলে ডলারের বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ ধরনের হস্তক্ষেপ আস্থা ফেরাতে সহায়ক হবে।
ইএআর/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?