৬ মাস পর সচল বড়পুকুরিয়ার ৩ নম্বর ইউনিট, কমতে পারে লোডশেডিং
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সবচেয়ে বড় ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দীর্ঘ ৬ মাস ২০ দিন বন্ধ ছিল ইউনিটটি। বুধবার (২০ মে) বিকেল ৫টা ৪৬ মিনিটে এ ইউনিটটি চালু করা হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে এই ইউনিটটি থেকে ২৫০ থেকে ২৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি বর্তমানে প্রথম ইউনিটটি থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। সব মিলিয়ে আগামীকাল থেকে বড়পুকুরিয়া থেকে গড়ে ৩০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে, যা দেশের চলমান লোডশেডিং পরিস্থিতি কমিয়ে আনতে বড় ভূমিকা রাখবে। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, তৃতীয় ইউনিটটি সফলভাবে চালু করা হয়েছে। বর্তমানে দুটি ইউনিট সচল রাখতে প্রতিদিন ৩ হাজার ২০০ টন কয়লার প্রয়োজন হবে। এছাড়া ১২৫ মেগাওয়াটের বন্ধ থাকা দ্বিতীয় ইউনিটটি মেরামতের জন্য চিনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করছি, কিছুদিনের মধ্যে সেটিও চালু করা সম্ভব হবে। জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া খনির কয়লার ওপর নির্ভর
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সবচেয়ে বড় ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দীর্ঘ ৬ মাস ২০ দিন বন্ধ ছিল ইউনিটটি।
বুধবার (২০ মে) বিকেল ৫টা ৪৬ মিনিটে এ ইউনিটটি চালু করা হয়।
বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে এই ইউনিটটি থেকে ২৫০ থেকে ২৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি বর্তমানে প্রথম ইউনিটটি থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। সব মিলিয়ে আগামীকাল থেকে বড়পুকুরিয়া থেকে গড়ে ৩০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে, যা দেশের চলমান লোডশেডিং পরিস্থিতি কমিয়ে আনতে বড় ভূমিকা রাখবে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, তৃতীয় ইউনিটটি সফলভাবে চালু করা হয়েছে। বর্তমানে দুটি ইউনিট সচল রাখতে প্রতিদিন ৩ হাজার ২০০ টন কয়লার প্রয়োজন হবে। এছাড়া ১২৫ মেগাওয়াটের বন্ধ থাকা দ্বিতীয় ইউনিটটি মেরামতের জন্য চিনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করছি, কিছুদিনের মধ্যে সেটিও চালু করা সম্ভব হবে।
জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া খনির কয়লার ওপর নির্ভর করে ২০০৬ সালে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি যাত্রা শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট নিয়ে কাজ শুরু হলেও, ২০১৭ সালে নতুন একটি ২৭৫ মেগাওয়াটের তৃতীয় ইউনিট যুক্ত করা হয়।
তবে নানা কারিগরি জটিলতার কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কখনো একসঙ্গে তিনটি ইউনিট চালু করে সর্বোচ্চ ক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারেনি। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াটের দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। আর সবচেয়ে বড় তৃতীয় ইউনিটটি গত ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
এমদাদুল হক মিলন/কেএইচকে/এএসএম
What's Your Reaction?