৭৩ বছরে মৃত্যু, থেমে গেল পাঁচ দশকের সফল পথচলা

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তামিল চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা, নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার কে ভাগ্যরাজ আর নেই। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শনিবার (২৭ জুন) ভারতের চেন্নাইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হৃদযন্ত্রে গুরুতর ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। শনিবার দুপুরে চেন্নাইয়ের বেসান্ত নগর শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও অসংখ্য ভক্তের উপস্থিত থাকার কথা। কে ভাগ্যরাজের পরিবারে রয়েছেন তার স্ত্রী ও অভিনেত্রী পূর্ণিমা ভাগ্যরাজ, ছেলে অভিনেতা শান্থনু ভাগ্যরাজ এবং মেয়ে সারান্যা ভাগ্যরাজ। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কর্মব্যস্ত ছিলেন এই বর্ষীয়ান শিল্পী। কয়েক দিন আগেও অভিনেত্রী খুশবু সুন্দরের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গোয়া সফর করেছিলেন তিনি। তামিলনাড়ুর ইরোড জেলায় কৃষ্ণস্বামী ভাগ্যরাজ নামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। চলচ্চিত্রে যাত্রার শুরুতে কিংবদন্তি নির্মাতা ভারতীরাজার সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। পরে স্বাধীনভাবে নির্মাণ ও অভিনয়ে নিজস্ব পরিচয় গড়ে তোলেন এবং

৭৩ বছরে মৃত্যু, থেমে গেল পাঁচ দশকের সফল পথচলা

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তামিল চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা, নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার কে ভাগ্যরাজ আর নেই। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শনিবার (২৭ জুন) ভারতের চেন্নাইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হৃদযন্ত্রে গুরুতর ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। শনিবার দুপুরে চেন্নাইয়ের বেসান্ত নগর শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও অসংখ্য ভক্তের উপস্থিত থাকার কথা।

কে ভাগ্যরাজের পরিবারে রয়েছেন তার স্ত্রী ও অভিনেত্রী পূর্ণিমা ভাগ্যরাজ, ছেলে অভিনেতা শান্থনু ভাগ্যরাজ এবং মেয়ে সারান্যা ভাগ্যরাজ।

জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কর্মব্যস্ত ছিলেন এই বর্ষীয়ান শিল্পী। কয়েক দিন আগেও অভিনেত্রী খুশবু সুন্দরের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গোয়া সফর করেছিলেন তিনি।

তামিলনাড়ুর ইরোড জেলায় কৃষ্ণস্বামী ভাগ্যরাজ নামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। চলচ্চিত্রে যাত্রার শুরুতে কিংবদন্তি নির্মাতা ভারতীরাজার সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। পরে স্বাধীনভাবে নির্মাণ ও অভিনয়ে নিজস্ব পরিচয় গড়ে তোলেন এবং আশির ও নব্বইয়ের দশকে তামিল চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী সৃজনশীল ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।

প্রায় পাঁচ দশকের কর্মজীবনে ২৫টির বেশি চলচ্চিত্র পরিচালনা এবং ৭৫টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন কে ভাগ্যরাজ। অসাধারণ চিত্রনাট্য রচনার দক্ষতার কারণে তিনি ‘চিত্রনাট্যের সম্রাট’ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে মুন্ধানাই মুডিচু, আন্ধা ৭ নাটকাল এবং ডার্লিং, ডার্লিং, ডার্লিং। পারিবারিক গল্প, সামাজিক বাস্তবতা এবং সাধারণ মানুষের জীবনকে সহজ অথচ হৃদয়স্পর্শীভাবে পর্দায় তুলে ধরার জন্য তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow