৭.৬২ গুলি আর সাখাওয়াতের অবাক হওয়া নিয়ে প্রশ্ন জাহেদের

জুলাই আন্দোলনের সময় স্নাইপার অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। স্নাইপার রাইফেল নিয়ে কোত্থেকে যেন অদ্ভূত কথা আসছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্দোলনের পক্ষে থাকা মানুষ শেখ হাসিনা সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য লুকিয়ে স্নাইপার গুলি করেছে, ব্যাপারগুলো এরকম না। এছাড়া জুলাই আন্দোলনে ‘সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু’ (৭.৬২) মিলিমিটার বোরের গুলি ব্যবহার নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন কেন অবাক হয়েছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তিনি। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এ কথা বলেন। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু বুলেট নিয়ে আমরা অনেক কথা বলছি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টাও বলেছেন। আমি অবাক হয়েছি, উনি কেন অবাক হয়েছেন সেটা দেখে।’ তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘পুলিশের হাতে যে অস্ত্র থাকে, তার মধ্যে একটি হল ‘‘টাইপ ফিফটি সিক্স’’ রাইফেল, যাকে চায়নিজ রাইফেল বলি। সেই অস্ত্রের গুলিই ‘সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু’। এটার জন্

৭.৬২ গুলি আর সাখাওয়াতের অবাক হওয়া নিয়ে প্রশ্ন জাহেদের

জুলাই আন্দোলনের সময় স্নাইপার অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। স্নাইপার রাইফেল নিয়ে কোত্থেকে যেন অদ্ভূত কথা আসছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্দোলনের পক্ষে থাকা মানুষ শেখ হাসিনা সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য লুকিয়ে স্নাইপার গুলি করেছে, ব্যাপারগুলো এরকম না।

এছাড়া জুলাই আন্দোলনে ‘সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু’ (৭.৬২) মিলিমিটার বোরের গুলি ব্যবহার নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন কেন অবাক হয়েছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু বুলেট নিয়ে আমরা অনেক কথা বলছি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টাও বলেছেন। আমি অবাক হয়েছি, উনি কেন অবাক হয়েছেন সেটা দেখে।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘পুলিশের হাতে যে অস্ত্র থাকে, তার মধ্যে একটি হল ‘‘টাইপ ফিফটি সিক্স’’ রাইফেল, যাকে চায়নিজ রাইফেল বলি। সেই অস্ত্রের গুলিই ‘সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু’। এটার জন্য স্নাইপার হতে হবে! কোত্থেকে যেন এই অদ্ভুত কথা আসছে!’

টাইপ ফিফটি সিক্স রাইফেল ‘পুলিশের হাতে যাওয়ারই কথা ছিল না’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘পুলিশের হাতে শটগান থাকবে, আর লেথাল উইপন হিসেবে থাকবে পিস্তল, যেটা শর্ট রেঞ্জ। টাইপ ফিফটি সিক্সের প্রবলেম... ওটার রেঞ্জ অনেক লম্বা। চারশ মিটার পাঁচশ মিটার লেথাল রেঞ্জ থাকে। গুলি যখন মিস হয়, সেটা বহু দূরের মানুষকে হত্যা করতে পারে।’

স্পেশাল পুলিশের হাতে ‘টাইপ ফিফটি সিক্স’ রাইফেল থাকতে পারে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘সাধারণ পুলিশের হাতে এ অস্ত্র থাকে না। এটা আসলে সেনাবাহিনীর হাতে ছিল। পরে যখন সেনাবাহিনী অটোমেটিক অস্ত্র ব্যবহার শুরু করল, সম্ভবত সেটা বিজিবির কাছে, শেষে পুলিশের কাছে এল। ওই অস্ত্র হরদম পুলিশ ব্যবহার করেছে। ওটারই বুলেট সেভেন পয়েন্ট সিক্স টু।’

‘আমি অবাক হয়ে যাই… কোত্থেকে লুকিয়ে কোনখান থেকে এসে স্নাইপার গুলি করেছে… ব্যাপারগুলো এরকম না। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যে প্রচারণাটা আছে, আন্দোলনের পক্ষে থাকা মানুষ, হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে থাকা মানুষ স্নাইপার ব্যবহার করে মানুষ মেরেছে হাসিনাকে বিপদে ফেলার জন্য। এটা একটা ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা আছে। এটা পুরোপুরি ভুল,’ যোগ করেন তিনি।

পুলিশের হাতে ওই অস্ত্র ‘সকাল-বিকেল দেখা যায়’ উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, যিনি একজন সেনা কর্মকর্তা, তিনি কীভাবে এ প্রশ্ন করেছিলেন তখন, আমি আসলেই জানি না।’

তিনি বলেন, ‘অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের কাছে লেথাল উইপন ছিল। বিজিবির কাছে তো ছিলই। বিজিবির গুলি করার ছবি আছে। পুলিশের টাইপ ফিফটি সিক্স উইপন দিয়ে গুলি করার ছবি আছে, ভিডিও আছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow