৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে নতুন কর্মসূচির ডাক

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে সামনে রেখে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবিতে ঢাকায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি।  শনিবার (২ মে) সংগঠনের আহবায়ক আবদুল মালেক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আসন্ন বাজেট সামনে রেখে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবিতে সরকারের নজরে কর্মচারীদের দীর্ঘ দিনের চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়ার জন্য গণতান্ত্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ মে মাসকে গুরুত্ব দিয়ে ৮ মে পটুয়াখালী, ৯ মে খুলনায় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা হবে। সর্বশেষ ১৬ মে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি।  বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১১ বছরে দুটি পে স্কেল হওয়ার কথা থাকলেও একটিও পাননি তারা। আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্যে দিশেহারা নিম্ন গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা। বেশিরভাগ কর্মচারী ঋণের দায়ে জর্জরিত। ঋণ কর্তন করে মাসে শেষে যে বেতন

৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে নতুন কর্মসূচির ডাক

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে সামনে রেখে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবিতে ঢাকায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি। 

শনিবার (২ মে) সংগঠনের আহবায়ক আবদুল মালেক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আসন্ন বাজেট সামনে রেখে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবিতে সরকারের নজরে কর্মচারীদের দীর্ঘ দিনের চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়ার জন্য গণতান্ত্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ মে মাসকে গুরুত্ব দিয়ে ৮ মে পটুয়াখালী, ৯ মে খুলনায় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা হবে।

সর্বশেষ ১৬ মে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১১ বছরে দুটি পে স্কেল হওয়ার কথা থাকলেও একটিও পাননি তারা। আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্যে দিশেহারা নিম্ন গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা। বেশিরভাগ কর্মচারী ঋণের দায়ে জর্জরিত।

ঋণ কর্তন করে মাসে শেষে যে বেতন হাতে পান, তাতে ১০-১৫ দিন চলতে পারেন না। পরবর্তীতে তারা আরও বেশি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। এ অবস্থায় আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ রেখে পে স্কেল বাস্তবায়ন না করলে সরকারের প্রতি কর্মচারীদের অসন্তোষ এবং প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হতে পারে, যা কাম্য নয়।

তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ছাড়া ঋণ করে যদি সব কাজ চলে, তাহলে ২২ লাখ কর্মচারীর ৪৪ লাখ হাত সরকারের উন্নয়নের জন্য কাজ করে, সে মানুষগুলোর যদি ভাগ্য উন্নয়নে আরও কিছুটা ঋণী হয়, তাতে ক্ষতি কি?’

আসন্ন বাজেটে বরাদ্দ রেখে সরকার ২২ লাখ পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন বলে প্রত্যাশা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow