‘অনুমোদনে’ আটকে রাণীশংকৈল বৈশাখী মেলা, শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলার এবারের আয়োজন পড়েছে অনিশ্চিয়তায়। সব প্রস্তুতি শেষেও ‘নির্ধারিত দিনে’ উদ্বোধন হয়নি মেলার। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, অনুমোদন না নিয়েই ঠিক করা হয়েছিল উদ্বোধনের তারিখ। এসএসসিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা চলমান বলে এখনই মিলবে না অনুমোদন। পুরো মেলাজুড়ে স্টল গুছিয়ে প্রস্তুত ব্যবসায়ীরা, এখন পড়েছেন অনিশ্চয়তায়। রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠে বসেছে মেলার ৩৩তম আয়োজন। উদ্বোধন হওয়ার দিন নির্ধারিত ছিল গত (০৯ মে) শনিবার। উদ্বোধন করার কথা ছিল ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমানের- জানালেন মেলা কমিটির হিসাবরক্ষক উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আওলাদ হোসেন। কী কারণে সেটি হলো না- এর সুনির্দিষ্ট জবাব দেননি তিনি। বললেন, ‘জেলা প্রশাসক আমাদের ডেকেছিলেন। দু-এক দিনের মধ্যে মেলা উদ্বোধন হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।’ অনুমোদনের বিষয়টি জানতে চাইলে তার দাবি, মৌখিকভাবে ঠিক করা হয়েছিল উদ্বোধনের দিনক্ষণ। মেলাসূত্রে জানা গেছে, সেখানে বসেছে অর্ধশতাধিক স্টল। পাবনা থেকে এসেছেন মতিউর রহমান। মেলায় দিয়েছেন প্রসাধনীর স্টল। ‘প্রত্যেক বছর আমরা মেলায় দোকান নিয়ে আসি। বেচাকেনা ভালো হয়। এবার মে

‘অনুমোদনে’ আটকে রাণীশংকৈল বৈশাখী মেলা, শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলার এবারের আয়োজন পড়েছে অনিশ্চিয়তায়। সব প্রস্তুতি শেষেও ‘নির্ধারিত দিনে’ উদ্বোধন হয়নি মেলার। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, অনুমোদন না নিয়েই ঠিক করা হয়েছিল উদ্বোধনের তারিখ। এসএসসিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা চলমান বলে এখনই মিলবে না অনুমোদন।

পুরো মেলাজুড়ে স্টল গুছিয়ে প্রস্তুত ব্যবসায়ীরা, এখন পড়েছেন অনিশ্চয়তায়।

রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠে বসেছে মেলার ৩৩তম আয়োজন। উদ্বোধন হওয়ার দিন নির্ধারিত ছিল গত (০৯ মে) শনিবার। উদ্বোধন করার কথা ছিল ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমানের- জানালেন মেলা কমিটির হিসাবরক্ষক উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আওলাদ হোসেন।

কী কারণে সেটি হলো না- এর সুনির্দিষ্ট জবাব দেননি তিনি। বললেন, ‘জেলা প্রশাসক আমাদের ডেকেছিলেন। দু-এক দিনের মধ্যে মেলা উদ্বোধন হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।’

অনুমোদনের বিষয়টি জানতে চাইলে তার দাবি, মৌখিকভাবে ঠিক করা হয়েছিল উদ্বোধনের দিনক্ষণ।

মেলাসূত্রে জানা গেছে, সেখানে বসেছে অর্ধশতাধিক স্টল। পাবনা থেকে এসেছেন মতিউর রহমান। মেলায় দিয়েছেন প্রসাধনীর স্টল।

‘প্রত্যেক বছর আমরা মেলায় দোকান নিয়ে আসি। বেচাকেনা ভালো হয়। এবার মেলায়ও প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে বসেছি। মেলার অনুমতি না মিললে তো আমরা লোকসানে পড়ব’- শঙ্কায় মতিউর।

মেলায় শিশুদের জন্য রাইড নিয়ে বসেছিলেন মো. বেলাল। তিনি বললেন, ‘রাইড বসানোয় অনেক টাকা খরচ হয়েছে। মেলা না হলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হব।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা বেগম বললেন, ‘জেলা প্রশাসকের অনুমোদন না নিয়ে মেলা উদ্বোধনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। তা ছাড়া এখন এসএসসি, অর্নাস ও ডিগ্রি পরীক্ষা চলছে। এসব শেষ হলে অনুমোদন পাওয়াসাপেক্ষে মেলা অনুষ্ঠিত হতে পারে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow