অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুবদলের ২ নেতা বহিষ্কার

ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌর যুবদলের দুই নেতাকে দলীয় শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বোরহানউদ্দিন পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. হেলাল উদ্দিন মুন্সি ও সদস্য সচিব মো. জাফর মৃধা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন পৌর যুবদলের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন এবং সহ-সভাপতি সবুজ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব ধরনের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, যুবদলের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নির্দেশনার আলোকে সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বুধবার (২০ মে) থেকে বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ মে বরিশালের একটি আবাসিক হোটেলে আপত্তিকর পরিস্থিতিতে ধরা পড়ার অভিযোগ ওঠে ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্

অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুবদলের ২ নেতা বহিষ্কার

ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌর যুবদলের দুই নেতাকে দলীয় শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বোরহানউদ্দিন পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. হেলাল উদ্দিন মুন্সি ও সদস্য সচিব মো. জাফর মৃধা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বহিষ্কৃতরা হলেন পৌর যুবদলের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন এবং সহ-সভাপতি সবুজ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব ধরনের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, যুবদলের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নির্দেশনার আলোকে সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বুধবার (২০ মে) থেকে বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ মে বরিশালের একটি আবাসিক হোটেলে আপত্তিকর পরিস্থিতিতে ধরা পড়ার অভিযোগ ওঠে ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরপর সাংগঠনিক তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে দলীয় নেতাকর্মীদের বহিষ্কৃতদের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow