অবিস্ফোরিত বোমা নিষ্ক্রিয়ের সময় আইআরজিসির ১৪ সৈন্য নিহত

ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জানজান প্রদেশে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করার সময় ইসলামি রেভলুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর ১৪ সদস্য নিহত হয়েছেন। ইরানের সামরিক বাহিনী এবং ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। শুক্রবার (১ মার্চ) এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানানো হয়। শত্রুপক্ষের ক্লাস্টার বোমা ও আকাশ থেকে নিক্ষিপ্ত মাইন হামলার পর জানজান প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা, যার মধ্যে প্রায় ১,২০০ হেক্টর কৃষিজমিও রয়েছে, অবিস্ফোরিত অস্ত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় আইআরজিসির বিশেষজ্ঞ দল দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এখন পর্যন্ত তারা ১৫ হাজারেরও বেশি বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করেছেন বলে জানানো হয়েছে। তবে শুক্রবারের অভিযানের সময় হঠাৎ বিস্ফোরণে ১৪ সদস্য ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং আরও দুইজন আহত হন। ইরান পূর্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-এর বিরুদ্ধে ক্লাস্টার বোমা ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে। এ ধরনের বোমা আকাশে বিস্ফোরিত হয়ে ছোট ছোট সাবমিউনিশন ছড়িয়ে দেয়, যেগুলোর অনেকগুলো বিস্ফোরিত না হয়ে দীর্ঘদিন মাটিতে পড়ে থেকে প্রাণঘাতী ঝুঁকি তৈরি করে। উল্লেখ্য, ইরান, ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্র—তিন দেশই এখন

অবিস্ফোরিত বোমা নিষ্ক্রিয়ের সময় আইআরজিসির ১৪ সৈন্য নিহত

ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জানজান প্রদেশে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করার সময় ইসলামি রেভলুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর ১৪ সদস্য নিহত হয়েছেন। ইরানের সামরিক বাহিনী এবং ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানানো হয়। শত্রুপক্ষের ক্লাস্টার বোমা ও আকাশ থেকে নিক্ষিপ্ত মাইন হামলার পর জানজান প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা, যার মধ্যে প্রায় ১,২০০ হেক্টর কৃষিজমিও রয়েছে, অবিস্ফোরিত অস্ত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় আইআরজিসির বিশেষজ্ঞ দল দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এখন পর্যন্ত তারা ১৫ হাজারেরও বেশি বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করেছেন বলে জানানো হয়েছে।

তবে শুক্রবারের অভিযানের সময় হঠাৎ বিস্ফোরণে ১৪ সদস্য ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং আরও দুইজন আহত হন।

ইরান পূর্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-এর বিরুদ্ধে ক্লাস্টার বোমা ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে। এ ধরনের বোমা আকাশে বিস্ফোরিত হয়ে ছোট ছোট সাবমিউনিশন ছড়িয়ে দেয়, যেগুলোর অনেকগুলো বিস্ফোরিত না হয়ে দীর্ঘদিন মাটিতে পড়ে থেকে প্রাণঘাতী ঝুঁকি তৈরি করে।

উল্লেখ্য, ইরান, ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্র—তিন দেশই এখনো ২০০৮ সালের ক্লাস্টার মিউনিশন কনভেনশন (সিসিএম)-এ স্বাক্ষর করেনি, যেখানে ক্লাস্টার বোমার ব্যবহার, উৎপাদন, মজুত ও স্থানান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow