অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা সংরক্ষণের প্রত্যয় সাবকন্টিনেন্ট ফ্রেন্ডস অব ক্যাম্পবেলটাউনের
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্যাম্পবেলটাউন অঞ্চলে মাতৃভাষা সংরক্ষণ, ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষা এবং বহুসাংস্কৃতিক সম্প্রীতি জোরদারে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে সাবকন্টিনেন্ট ফ্রেন্ডস অব ক্যাম্পবেলটাউন ইনকরপোরেটেড। সংগঠনটির মূল প্রতিপাদ্য, ‘Preserve and Conserve Mother Languages’। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে মাতৃভাষার ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয় সংরক্ষণ এবং বিকশিত করাই সংগঠনটির প্রধান লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের চেতনাকে ধারণ করে প্রবাসী নতুন প্রজন্মের মধ্যে মাতৃভাষা চর্চা, ভাষাগত বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি গড়ে তুলতে সংগঠনটি নিয়মিত ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক নানা কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় মিন্টো কমিউনিটি হলে সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, কাউন্সিলর আশিকুর রহমান অ্যাশ, অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও আরসিএন কলেজের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মাদ আবদুল
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্যাম্পবেলটাউন অঞ্চলে মাতৃভাষা সংরক্ষণ, ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষা এবং বহুসাংস্কৃতিক সম্প্রীতি জোরদারে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে সাবকন্টিনেন্ট ফ্রেন্ডস অব ক্যাম্পবেলটাউন ইনকরপোরেটেড। সংগঠনটির মূল প্রতিপাদ্য, ‘Preserve and Conserve Mother Languages’। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে মাতৃভাষার ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয় সংরক্ষণ এবং বিকশিত করাই সংগঠনটির প্রধান লক্ষ্য।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের চেতনাকে ধারণ করে প্রবাসী নতুন প্রজন্মের মধ্যে মাতৃভাষা চর্চা, ভাষাগত বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি গড়ে তুলতে সংগঠনটি নিয়মিত ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক নানা কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় মিন্টো কমিউনিটি হলে সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, কাউন্সিলর আশিকুর রহমান অ্যাশ, অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও আরসিএন কলেজের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মাদ আবদুল মতিন, সাংবাদিক এএইচএম মাসুম বিল্লাহ এবং নাইম আবদুল্লাহ।
সভায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন নির্বাহী পরিষদের নাম অনুমোদন ও ঘোষণা করা হয়। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন প্রধান উপদেষ্টা, ১৮ জন পদাধিকারী এবং ৭ জন কার্যনির্বাহী সদস্য নিয়ে নতুন পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
নবগঠিত নির্বাহী পরিষদে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পারভেজ খান, সভাপতি কায়সার আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ।
সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাহফুজুল হক চৌধুরী খসরু। সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ ইকবাল ফারুক, হরিশ গোয়াল, তুঙ্গনাথ খারেল, খালেদা কায়সার এবং মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সরকার।
যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মাকসুদুর রহমান চৌধুরী সুমন, কিশওয়ার আখতার কাকলী এবং মিলি ইসলাম। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মোহাম্মদ ফেরদৌস ওমি।
এছাড়া সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে ড. শাফিন রাশেদ, সহকারী সাংস্কৃতিক সম্পাদক জুই সেন তুলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম সাচ্চু, প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান এবং প্রেস ও জনসংযোগ সম্পাদক হোসনে আরা তালুকদার আইরিন নির্বাচিত হয়েছেন।
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন ড. মোহাম্মাদ সিরাজুল হক, সাজ্জাদ সিদ্দিকী, আলমগীর ইসলাম বাবু, ফারুক এম. তালুকদার, মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার মনজু, গণেশ ভৌমিক এবং মনিরুল ইসলাম মুন্না।
সংগঠনটির সভাপতি কায়সার আহমেদ কালবেলাকে জানান, ক্যাম্পবেলটাউন এলাকায় একটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ ইতোমধ্যেই অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারি অনুদান-বরাদ্দও হয়েছে এবং বর্তমানে আনুষঙ্গিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
তিনি আরও বলেন, এই স্মৃতিস্তম্ভ শুধু বাংলা ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক গুরুত্বই তুলে ধরবে না, বরং অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক সমাজে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষার প্রতি সম্মান, ভাষাগত বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সাংস্কৃতিক সহাবস্থানের প্রতীক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্মৃতিস্তম্ভটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে মাতৃভাষার গুরুত্ব ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের চেতনাকে আরও সমুন্নত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
What's Your Reaction?