অ্যাম্বুলেন্সের স্ট্রেচার ধরতেও স্বজনদের অনীহা, এগিয়ে গেলেন সংবাদকর্মী
পটুয়াখালীর নিষিদ্ধপল্লীতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে মানবিকতার হৃদয়বিদারক চিত্রের সাক্ষী হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক এ মাহমুদ হাসান রায়হান।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাত প্রায় ৮টার দিকে একটি সূত্রের মাধ্যমে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান তিনি। এ সময় পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ওই কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে উপস্থিত এক নারীর সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সংবাদ কর্মী রায়হানের ভাষ্য অনুযায়ী, মরদেহটি কক্ষ থেকে বের করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় মৃত ব্যক্তির সঙ্গে আসা দুই স্বজন স্ট্রেচার ধরতে অনীহা প্রকাশ করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের কাছেও সহায়তা চাওয়া হলেও কেউ এগিয়ে আসেননি। প্রায় পাঁচ মিনিট অপেক্ষার পরও স্ট্রেচার ধরার মতো কাউকে পাওয়া যায়নি।
পরে সাংবাদিক এ মাহমুদ হাসান রায়হান নিজেই স্ট্রেচার ধরতে এগিয়ে আসেন। এ সময় অ্যাম্বুলেন্স কর্মী, পুলিশের একজন কর্মকর্তা এবং ডোম ঘরের একজন কর্মচারীর সহায়তায় মরদেহটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্রেচার
পটুয়াখালীর নিষিদ্ধপল্লীতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে মানবিকতার হৃদয়বিদারক চিত্রের সাক্ষী হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক এ মাহমুদ হাসান রায়হান।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাত প্রায় ৮টার দিকে একটি সূত্রের মাধ্যমে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান তিনি। এ সময় পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ওই কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে উপস্থিত এক নারীর সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সংবাদ কর্মী রায়হানের ভাষ্য অনুযায়ী, মরদেহটি কক্ষ থেকে বের করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় মৃত ব্যক্তির সঙ্গে আসা দুই স্বজন স্ট্রেচার ধরতে অনীহা প্রকাশ করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের কাছেও সহায়তা চাওয়া হলেও কেউ এগিয়ে আসেননি। প্রায় পাঁচ মিনিট অপেক্ষার পরও স্ট্রেচার ধরার মতো কাউকে পাওয়া যায়নি।
পরে সাংবাদিক এ মাহমুদ হাসান রায়হান নিজেই স্ট্রেচার ধরতে এগিয়ে আসেন। এ সময় অ্যাম্বুলেন্স কর্মী, পুলিশের একজন কর্মকর্তা এবং ডোম ঘরের একজন কর্মচারীর সহায়তায় মরদেহটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্রেচার ধরার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই তাকে মেনশন ও বার্তা পাঠান।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যিনি চলে গেছেন, তিনি তো আর ফিরবেন না। আমি তাকে একজন মানুষ হিসেবেই দেখেছি। একজন মানুষের শেষ যাত্রায় সামান্য সহযোগিতা করেছি। এতে অন্য কিছু ভাবার সুযোগ ছিল না।’
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানবিকতা, পারিবারিক দায়বদ্ধতা ও সমাজের মূল্যবোধ নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।