আইইউবিতে সম্পন্ন হলো সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন
ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি)-এর মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগ আয়োজিত দুই দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘দা নেশন অ্যান্ড ইটস ইমাজিনেশনস: কালচার অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ ইন বাংলাদেশ’ সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সম্মেলনের সমাপনী দিনে দেশ-বিদেশের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের অংশগ্রহণে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দিনজুড়ে গণমাধ্যম, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প কীভাবে সমকালীন জাতীয় পরিচয়, চিন্তা ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে, তা বিশদভাবে তুলে ধরা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম. তামিম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ. লুন্ড এবং স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. বখতিয়ার আহমেদ। প্রথম দিনের কীনোট বক্তব্য উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডেলেইডের অধ্যাপক ক্রেইগ ব্যাটি। তিনি সৃজনশীল চর্চা ও গবেষণায় নতুন ভাবনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। দ্বিতীয় দিনে কীনোট দেন অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ. লুন্ড, যেখানে তিনি গণমাধ্যম, দর্শক-অনুভূতি এবং কগনিটিভ ডিসোন্যা
ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি)-এর মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগ আয়োজিত দুই দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘দা নেশন অ্যান্ড ইটস ইমাজিনেশনস: কালচার অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ ইন বাংলাদেশ’ সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সম্মেলনের সমাপনী দিনে দেশ-বিদেশের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের অংশগ্রহণে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দিনজুড়ে গণমাধ্যম, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প কীভাবে সমকালীন জাতীয় পরিচয়, চিন্তা ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে, তা বিশদভাবে তুলে ধরা হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম. তামিম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ. লুন্ড এবং স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. বখতিয়ার আহমেদ।
প্রথম দিনের কীনোট বক্তব্য উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডেলেইডের অধ্যাপক ক্রেইগ ব্যাটি। তিনি সৃজনশীল চর্চা ও গবেষণায় নতুন ভাবনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। দ্বিতীয় দিনে কীনোট দেন অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ. লুন্ড, যেখানে তিনি গণমাধ্যম, দর্শক-অনুভূতি এবং কগনিটিভ ডিসোন্যান্স নিয়ে আলোচনা করেন।
সম্মেলনে চারটি সমান্তরাল সেশনে মোট ৩৬টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। প্রবন্ধগুলোতে ডিজিটাল অর্থনীতি, প্ল্যাটফর্ম শ্রম, গণমাধ্যমের বিশ্বায়ন, সংস্কৃতি উৎপাদন, জেন্ডার ও উপস্থাপন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণদের পরিচয়, লোকসংস্কৃতি, চলচ্চিত্র ও ভিজ্যুয়াল মিডিয়া, নগর উপসংস্কৃতি ও রাজনৈতিক প্রতীকসহ নানা বিষয় উঠে আসে।
এছাড়া তিনটি প্যানেল আলোচনায় প্রযুক্তির প্রভাব, সৃজনশীল খাতের পরিবর্তনশীল বাস্তবতা এবং দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ভবিষ্যৎ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
দ্বিতীয় দিনে ‘ক্রিয়েটিভ প্র্যাকটিস রিসার্চ: প্র্যাকটিকাল ওয়ার্কশপ অফ ইমাজিনেশন ইন অ্যাকশন’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি প্রদর্শিত হয় ‘দেলুপি (২০২৫)’ চলচ্চিত্র। প্রথম দিন সন্ধ্যায় নৈশভোজের মাধ্যমে বাংলাদেশ কালচারাল অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ রিসার্চ গ্রুপের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়, যা দেশে এই খাতে গবেষণার একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকরা অংশ নেন। আয়োজকদের আশা, এ আয়োজন গণমাধ্যম, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প নিয়ে সমকালীন আলোচনা এগিয়ে নিতে এবং গবেষণা ও পেশাজগতের মধ্যে সংযোগ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
What's Your Reaction?