আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ডা. নাসিরের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ডা. নাসির ইসলামকে দেখতে গেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত ১০টার দিকে তিনি হাসপাতালে গিয়ে ডা. নাসিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
হাসপাতাল থেকে বের হয়ে ঢামেক হাসপাতালের গেটে সাংবাদিকদের শফিকুর রহমান বলেন, ‘চিকিৎসকদের যদি নিরাপত্তা না থাকে, তাহলে তারা কীভাবে চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন? এতে দেশে চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।’
ডা. নাসির ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারকে অবিলম্বে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
এসময় জামায়াতের আমির নিহত লাল মিয়া কাজীর মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
জামায়াতের আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ নেতা ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৫ মে) রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাসখান এলাকার বাসিন্দা লাল মিয়া কাজী চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ডা. নাসির ইসলামকে দেখতে গেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত ১০টার দিকে তিনি হাসপাতালে গিয়ে ডা. নাসিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
হাসপাতাল থেকে বের হয়ে ঢামেক হাসপাতালের গেটে সাংবাদিকদের শফিকুর রহমান বলেন, ‘চিকিৎসকদের যদি নিরাপত্তা না থাকে, তাহলে তারা কীভাবে চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন? এতে দেশে চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।’
ডা. নাসির ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারকে অবিলম্বে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
এসময় জামায়াতের আমির নিহত লাল মিয়া কাজীর মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
জামায়াতের আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ নেতা ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৫ মে) রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাসখান এলাকার বাসিন্দা লাল মিয়া কাজী চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে আসেন। রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলাম তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করেন। তবে ঢাকায় নেওয়ার আগেই ওই রোগীর মৃত্যু হয়। পরে চিকিৎসকের গাফিলতির অভিযোগ তুলে নিহতের স্বজন ও বহিরাগতরা ডা. নাসির ইসলামের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। হামলায় ডা. নাসির ইসলাম গুরুতর আহত হন।