আজও জানা যায়নি মৃত্যুর কারণ, ১৯ বছরেই মারা যান শাহরুখের নায়িকা

বলিউডের ইতিহাসে সবচেয়ে রহস্যঘেরা মৃত্যুর তালিকায় আজও শীর্ষে রয়েছেন অভিনেত্রী দিব্যা ভারতীর। মাত্র ১৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু আজও ঘিরে রেখেছে অসংখ্য প্রশ্ন। ১৯৯২ সালে ‘দিওয়ানা’ ছবিতে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধেন শাহরুখ খান ও দিব্যা ভারতী। ছবিটি ছিল শাহরুখের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের বড় সাফল্যগুলোর একটি। সেই ছবির নায়িকা হিসেবেই রাতারাতি জনপ্রিয়তা পান দিব্যা। এরপর অনেক নায়কের সঙ্গেই করেছেন হিট সিনেমা। অনেকেই মনে করেন, তিনি ছিলেন বলিউডের পরবর্তী সুপারস্টার হওয়ার পথে।‘দিওয়ানা’ ছবিতে শাহরুখ খানের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন দিব্যা ভারতী কিন্তু সেই উজ্জ্বল যাত্রা থেমে যায় ১৯৯৩ সালের ৫ এপ্রিল। নিজের বাসার পাঁচতলা থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় এই তরুণ অভিনেত্রীর। হাসপাতালে নেওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি তাকে। দিব্যার মৃত্যুর পর কেটে গেছে তিন দশকের বেশি সময়, কিন্তু আজও স্পষ্ট হয়নি এটি আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত খুন।খুব অল্প সময়েই নজর কেড়েছিলেন সুন্দর মুখশ্রী, অভিনয় ও নাচে পারদর্শী দিব্যা ঘটনার দিন উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামী সাংবাদিক ট্রয় রিবেইরো, যিনি পরে এ বিষয়ে একটি বইও লেখেন। তার বর্ণনা অনুযায়ী, মৃত্যুর আগে দিব্

আজও জানা যায়নি মৃত্যুর কারণ, ১৯ বছরেই মারা যান শাহরুখের নায়িকা

বলিউডের ইতিহাসে সবচেয়ে রহস্যঘেরা মৃত্যুর তালিকায় আজও শীর্ষে রয়েছেন অভিনেত্রী দিব্যা ভারতীর। মাত্র ১৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু আজও ঘিরে রেখেছে অসংখ্য প্রশ্ন।

১৯৯২ সালে ‘দিওয়ানা’ ছবিতে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধেন শাহরুখ খান ও দিব্যা ভারতী। ছবিটি ছিল শাহরুখের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের বড় সাফল্যগুলোর একটি। সেই ছবির নায়িকা হিসেবেই রাতারাতি জনপ্রিয়তা পান দিব্যা। এরপর অনেক নায়কের সঙ্গেই করেছেন হিট সিনেমা। অনেকেই মনে করেন, তিনি ছিলেন বলিউডের পরবর্তী সুপারস্টার হওয়ার পথে।


‘দিওয়ানা’ ছবিতে শাহরুখ খানের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন দিব্যা ভারতী

কিন্তু সেই উজ্জ্বল যাত্রা থেমে যায় ১৯৯৩ সালের ৫ এপ্রিল। নিজের বাসার পাঁচতলা থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় এই তরুণ অভিনেত্রীর। হাসপাতালে নেওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি তাকে।

দিব্যার মৃত্যুর পর কেটে গেছে তিন দশকের বেশি সময়, কিন্তু আজও স্পষ্ট হয়নি এটি আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত খুন।


খুব অল্প সময়েই নজর কেড়েছিলেন সুন্দর মুখশ্রী, অভিনয় ও নাচে পারদর্শী দিব্যা

ঘটনার দিন উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামী সাংবাদিক ট্রয় রিবেইরো, যিনি পরে এ বিষয়ে একটি বইও লেখেন। তার বর্ণনা অনুযায়ী, মৃত্যুর আগে দিব্যা মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন এবং ওই দিন মদ্যপান করেছিলেন। বাড়িতে অতিথিরাও ছিলেন। একসময় তিনি বারান্দায় একা দাঁড়িয়ে ছিলেন, এরপরই হঠাৎ পড়ে যাওয়ার শব্দ শোনা যায়।

ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে অতিথিরাই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সেদিন বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন পোশাকশিল্পী নীতা লুল্লা। তবে তিনিও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি এটি আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা।


নতুন প্রজন্মের সুপারস্টার হয়ে উঠছিলেন দিব্যা ভারতী

ট্রয়ের দাবি, সন্দেহের তালিকায় ছিলেন দিব্যার পরিচারিকা, যিনি মৃত্যুর আগে শেষবার তাকে দেখেছিলেন। তবে তাকে কখনও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি বলে আক্ষেপ করেন তিনি।

অন্যদিকে, স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়ে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন দিব্যার স্বামী সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা। তাকে ঘুমের ওষুধ দিয়ে সামলাতে হয়েছিল। ঘটনাস্থলে এসে দিব্যার বাবা ভেঙে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘রা আমার মেয়েকে মেরে ফেলল!’

পরদিন ভোরে হাসপাতালে পৌঁছান দিব্যার মা। কিন্তু সেখানেও তৈরি হয় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দোষারোপ শুরু হয়। কেন সেই দোষারোপ সেই কারণও অজানা রয়ে গেল।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow