আন্তর্জাতিক শিল্পমেলায় অংশগ্রহণে বাংলাদেশের গাফিলতি

জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুর্ট শহরে চলমান আন্তর্জাতিক শিল্প ও প্রযুক্তিভিত্তিক মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শত শত প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। বিশেষ করে টেকনিক্যাল গার্মেন্টস, ওয়ার্ক ক্লথ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেক্সটাইল এবং আধুনিক মেশিনারিজ খাতে নতুন প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে এই আয়োজনকে ঘিরে। তবে দুঃখজনকভাবে, বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই মেলায় দেশের প্রত্যাশিত সংখ্যক প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারেনি।  সংশ্লিষ্টদের দাবি, সময়মতো সমন্বয়হীনতা, প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাব এবং যথাযথ উদ্যোগ না থাকায় অনেক সম্ভাবনাময় বাংলাদেশি কোম্পানি অংশগ্রহণের সুযোগ হারিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প এখন শুধু সাধারণ পোশাক নয়, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল, সেফটি ওয়ার্কওয়্যার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফেব্রিক এবং উচ্চমূল্যের বিশেষায়িত পোশাক খাতে প্রবেশের বড় সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ করলে বিদেশি ক্রেতা, প্রযুক্তি সরবরাহকারী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি হয়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গার্মেন্টস

আন্তর্জাতিক শিল্পমেলায় অংশগ্রহণে বাংলাদেশের গাফিলতি

জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুর্ট শহরে চলমান আন্তর্জাতিক শিল্প ও প্রযুক্তিভিত্তিক মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শত শত প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। বিশেষ করে টেকনিক্যাল গার্মেন্টস, ওয়ার্ক ক্লথ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেক্সটাইল এবং আধুনিক মেশিনারিজ খাতে নতুন প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে এই আয়োজনকে ঘিরে।

তবে দুঃখজনকভাবে, বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই মেলায় দেশের প্রত্যাশিত সংখ্যক প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারেনি। 

সংশ্লিষ্টদের দাবি, সময়মতো সমন্বয়হীনতা, প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাব এবং যথাযথ উদ্যোগ না থাকায় অনেক সম্ভাবনাময় বাংলাদেশি কোম্পানি অংশগ্রহণের সুযোগ হারিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প এখন শুধু সাধারণ পোশাক নয়, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল, সেফটি ওয়ার্কওয়্যার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফেব্রিক এবং উচ্চমূল্যের বিশেষায়িত পোশাক খাতে প্রবেশের বড় সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ করলে বিদেশি ক্রেতা, প্রযুক্তি সরবরাহকারী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গার্মেন্টস রপ্তানিকারক দেশ হলেও নতুন বাজার ও উচ্চমূল্যের পণ্যে প্রবেশে এখনো পর্যাপ্ত রাষ্ট্রীয় সহায়তা নেই। ফলে প্রতিযোগী দেশগুলো এগিয়ে গেলেও বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে।

তারা আরও বলেন, সরকার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প সংগঠনগুলোর উচিত আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ মেলাগুলোতে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ সহায়তা প্যাকেজ, তথ্যসেবা, স্টল সুবিধা এবং দ্রুত ভিসা ও লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া।

সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত, সময়মতো গুরুত্ব দেওয়া হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ শুধু তৈরি পোশাক নয়, টেকনিক্যাল গার্মেন্টস ও শিল্প পোশাক রপ্তানিতেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারবে। তাই ফ্র্যাঙ্কফুর্টের এই মেলা বাংলাদেশের জন্য একটি সতর্কবার্তা— এখনই উদ্যোগ না নিলে সম্ভাবনার বড় অংশ অন্য দেশের হাতে চলে যেতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow