‘আমিররাও ভাগ খায়’: কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর ক্ষমা চাইলেন জামায়াত নেতারা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দলীয় নেতৃত্বকে উদ্দেশ্য করে বিতর্কিত মন্তব্য করার পর সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের মুখে পোস্ট ডিলিট করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার জামায়াতে ইসলামীর দুই স্থানীয় নেতা। সোমবার (১০ আগস্ট) তারা নিজ নিজ ফেসবুক আইডি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ, ভুল স্বীকার ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ক্ষমা চাওয়া দুই নেতা হলেন রৌমারী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর ‘আবু সাঈদ ইউনিট’-এর সভাপতি মো. মাহবুব আলম ও সাধারণ সম্পাদক শইমী ইমরান হিকিম। এর আগে রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরের দিকে শইমী ইমরান হিকিম তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ‘আমিররাও ভাগ খায়;? ভাগ পায় ভালইত, ভাগাভাগির রাজনীতি সামনে আরও কত কিছু দেখব, বিকারগ্রস্ত ব্যক্তির দ্বারা সব সম্ভব।’ একই পোস্টে রৌমারী উপজেলা জামায়াতের আমির হায়দার আলীকে উদ্দেশ্য করে কড়া সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন ইউনিট সভাপতি মো. মাহবুব আলম। বিষয়টি নিয়ে ৯ আগস্ট দৈনিক কালবেলা অনলাইনে ‘আমিররাও ভাগ খায়? ফেসবুকে কেন লিখলেন জামায়াত নেতা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুর
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দলীয় নেতৃত্বকে উদ্দেশ্য করে বিতর্কিত মন্তব্য করার পর সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের মুখে পোস্ট ডিলিট করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার জামায়াতে ইসলামীর দুই স্থানীয় নেতা।
সোমবার (১০ আগস্ট) তারা নিজ নিজ ফেসবুক আইডি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ, ভুল স্বীকার ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
ক্ষমা চাওয়া দুই নেতা হলেন রৌমারী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর ‘আবু সাঈদ ইউনিট’-এর সভাপতি মো. মাহবুব আলম ও সাধারণ সম্পাদক শইমী ইমরান হিকিম।
এর আগে রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরের দিকে শইমী ইমরান হিকিম তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ‘আমিররাও ভাগ খায়;? ভাগ পায় ভালইত, ভাগাভাগির রাজনীতি সামনে আরও কত কিছু দেখব, বিকারগ্রস্ত ব্যক্তির দ্বারা সব সম্ভব।’
একই পোস্টে রৌমারী উপজেলা জামায়াতের আমির হায়দার আলীকে উদ্দেশ্য করে কড়া সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন ইউনিট সভাপতি মো. মাহবুব আলম।
বিষয়টি নিয়ে ৯ আগস্ট দৈনিক কালবেলা অনলাইনে ‘আমিররাও ভাগ খায়? ফেসবুকে কেন লিখলেন জামায়াত নেতা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে তারা ওই পোস্ট ও মন্তব্য ডিলিট করে দেন।
পরে ফেসবুকে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান শইমী ইমরান হিকিম। তিনি লেখেন, ‘গতকাল আমি যে পোস্ট করেছিলাম, এটা আমি আমার উপজেলা আমিরকে উদ্দেশ্য করে করিনি। কিন্তু কমেন্টের ব্যাখ্যা তা বুঝিয়েছে। এতে আমি আমার অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমার সংগঠনের আমির ও সব নেতাকর্মীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আশা করি সবাই ক্ষমা করে দেবেন। ভবিষ্যতে যাতে এমন ভুল না হয়, আমি সতর্ক থাকব।’
একইভাবে দুঃখ প্রকাশ করে ইউনিট সভাপতি মো. মাহবুব আলম তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার সম্প্রতি দেওয়া একটি কমেন্টকে নিয়ে যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা আমার সেই কমেন্টের ভাষা ও শব্দচয়ন দলীয় আদর্শ ও আমার ব্যক্তিগত মূল্যবোধের পরিপন্থী ছিল। আমি বুঝতে পেরেছি, আমার ওই মন্তব্যে দলীয় নেতাকর্মী, সম্মানিত জনসাধারণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কষ্ট পেয়েছেন ও বিব্রত হয়েছেন। একটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল কর্মী হিসেবে আমার আরও সংযত ও পরিপক্ব হওয়া উচিত ছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমার মন্তব্যের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’
এ বিষয়ে রৌমারী উপজেলা জামায়াতের আমির মো. হায়দার আলী কালবেলাকে বলেন, ‘রাতে তারা সরাসরি আমার কাছে এসে মাফ চেয়েছিল। পরে দেখলাম, তাদের ফেসবুকেও ক্ষমা চেয়ে পোস্ট দিয়েছে।’
কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আজিজুর রহমান স্বপন কালবেলাকে বলেন, ‘শুনেছি, তারা ফেসবুক পোস্ট ডিলিট করে ভুল স্বীকার ও ক্ষমা চেয়েছেন। এরপরও কীসের ভিত্তিতে তারা এ ধরনের কথা লিখেছেন, তা আমরা সাংগঠনিকভাবে খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ নেব।’
What's Your Reaction?