আমি অভিনেত্রী, আমার কাছে চরিত্রই শেষ কথা: ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

টালিউডের ঝলমলে পর্দায় যার উপস্থিতি মানেই আকর্ষণ, তিনি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তবে গ্ল্যামারের মোহ ছাপিয়ে এবার তিনি দাঁড়ালেন এক ভিন্ন অবস্থানে—যেখানে সৌন্দর্য নয়, বরং চরিত্রের গভীরতাই তার কাছে মুখ্য। সম্প্রতি নির্মাতা অরিন্দম শীল-এর নতুন রাজনৈতিক থ্রিলার ‘কর্পূর’ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এই টালিউড কুইন জানালেন, অভিনেত্রী হিসেবে নিজের সীমা ভাঙতে তিনি সবসময় প্রস্তুত। তার মতে, ক্যামেরার সামনে শুধু সুন্দর দেখানো নয়,চরিত্রের প্রতিটি স্তরকে সত্যি করে তোলাই একজন শিল্পীর আসল চ্যালেঞ্জ। ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘ কয়েক দশক পার করলেও সৌন্দর্য নিয়ে বাড়তি মোহ নেই ঋতুপর্ণার। তিনি বলেন, ‘সব সময় যে সুন্দর দেখাতে হবে, তা নিয়ে আমি ভাবি না। আমি অভিনেত্রী, আমার কাছে চরিত্রই শেষ কথা।’ ‘আলো’ থেকে ‘রাজকাহিনী’ প্রতিটি ছবিতে তিনি নিজেকে ভেঙেছেন। এদিকে ‘কর্পূর’ ছবিতে তাকে দেখা যাবে কলেজের একজন দৃঢ়চেতা অধ্যাপিকার চরিত্রে, যেখানে মেকআপ নয়, বরং ব্যক্তিত্বই প্রধান। দুই সন্তানের মা হওয়ার পরও লাইমলাইটে থাকা সহজ ছিল না। এ বিষয়ে  ঋতুপর্ণা বলেন, ‘সব কিছুর দায়িত্ব আমাকেই নিতে হয়। আমি কাজও করতে চেয়েছি আবার সংসারও। এই পরিশ্রমটা মানুষ

আমি অভিনেত্রী, আমার কাছে চরিত্রই শেষ কথা: ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত
টালিউডের ঝলমলে পর্দায় যার উপস্থিতি মানেই আকর্ষণ, তিনি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তবে গ্ল্যামারের মোহ ছাপিয়ে এবার তিনি দাঁড়ালেন এক ভিন্ন অবস্থানে—যেখানে সৌন্দর্য নয়, বরং চরিত্রের গভীরতাই তার কাছে মুখ্য। সম্প্রতি নির্মাতা অরিন্দম শীল-এর নতুন রাজনৈতিক থ্রিলার ‘কর্পূর’ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এই টালিউড কুইন জানালেন, অভিনেত্রী হিসেবে নিজের সীমা ভাঙতে তিনি সবসময় প্রস্তুত। তার মতে, ক্যামেরার সামনে শুধু সুন্দর দেখানো নয়,চরিত্রের প্রতিটি স্তরকে সত্যি করে তোলাই একজন শিল্পীর আসল চ্যালেঞ্জ। ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘ কয়েক দশক পার করলেও সৌন্দর্য নিয়ে বাড়তি মোহ নেই ঋতুপর্ণার। তিনি বলেন, ‘সব সময় যে সুন্দর দেখাতে হবে, তা নিয়ে আমি ভাবি না। আমি অভিনেত্রী, আমার কাছে চরিত্রই শেষ কথা।’ ‘আলো’ থেকে ‘রাজকাহিনী’ প্রতিটি ছবিতে তিনি নিজেকে ভেঙেছেন। এদিকে ‘কর্পূর’ ছবিতে তাকে দেখা যাবে কলেজের একজন দৃঢ়চেতা অধ্যাপিকার চরিত্রে, যেখানে মেকআপ নয়, বরং ব্যক্তিত্বই প্রধান। দুই সন্তানের মা হওয়ার পরও লাইমলাইটে থাকা সহজ ছিল না। এ বিষয়ে  ঋতুপর্ণা বলেন, ‘সব কিছুর দায়িত্ব আমাকেই নিতে হয়। আমি কাজও করতে চেয়েছি আবার সংসারও। এই পরিশ্রমটা মানুষ বাইরে থেকে বুঝতে পারবে না।’ শত ব্যস্ততার মাঝেও স্বামী সঞ্জয় চক্রবর্তীর সঙ্গে সময় কাটাতে ভোলেন না তিনি। রোম্যান্স টিকিয়ে রাখা এবং সান্নিধ্য তার কাছে অত্যন্ত জরুরি। ইন্ডাস্ট্রির কোন্দল বা ছোট গণ্ডির রাজনীতি থেকে নিজেকে দূরে রাখতেই পছন্দ করেন ঋতুপর্ণা। সিনেমাকে তিনি কোনো নির্দিষ্ট হাউসের কুক্ষিগত করার বিপক্ষে। তার মতে, ইন্ডাস্ট্রিকে বড় করতে হলে উদার মানসিকতা প্রয়োজন। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow