ইউরেনিয়াম বিদেশে স্থানান্তর কখনোই আলোচনার অংশ ছিল না: ইরান
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে স্থানান্তরের কোনো পরিকল্পনা বা আলোচনা কখনোই করেনি ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার (২০ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমেইল বাকাই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমেইল বাকাই বলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন জাতীয় গর্বের বিষয় এবং এটি কোনোভাবেই আলোচনাযোগ্য নয়। ইরানের মাটি যেমন পবিত্র হিসেবে বিবেচিত, তেমনি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামও দেশের জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বাকাই আরও বলেন, ইরানের জনগণের ত্যাগ, পরিশ্রম ও আত্মদানের মাধ্যমে অর্জিত প্রতিটি সম্পদই দেশের জন্য পবিত্র। তার মতে, পারমাণবিক সক্ষমতা ইরানের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ও জাতীয় দৃঢ়তার প্রতীক। তিনি যুক্তি দেন, এই সক্ষমতা মূল্যবান বলেই শত্রুরা এ নিয়ে বারবার আক্রমণ ও চাপ সৃষ্টি করছে। তাই এসব অর্জন রক্ষা করা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানোর বিষয়টি ‘কখনোই আমাদের আলোচনার অংশ ছিল না।’ এ ঘটনার সূত্রপাত হয় যেভাবে তা হচ্ছে, পারমাণবিক অস্ত্র ত
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে স্থানান্তরের কোনো পরিকল্পনা বা আলোচনা কখনোই করেনি ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার (২০ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমেইল বাকাই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমেইল বাকাই বলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন জাতীয় গর্বের বিষয় এবং এটি কোনোভাবেই আলোচনাযোগ্য নয়। ইরানের মাটি যেমন পবিত্র হিসেবে বিবেচিত, তেমনি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামও দেশের জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বাকাই আরও বলেন, ইরানের জনগণের ত্যাগ, পরিশ্রম ও আত্মদানের মাধ্যমে অর্জিত প্রতিটি সম্পদই দেশের জন্য পবিত্র। তার মতে, পারমাণবিক সক্ষমতা ইরানের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ও জাতীয় দৃঢ়তার প্রতীক।
তিনি যুক্তি দেন, এই সক্ষমতা মূল্যবান বলেই শত্রুরা এ নিয়ে বারবার আক্রমণ ও চাপ সৃষ্টি করছে। তাই এসব অর্জন রক্ষা করা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানোর বিষয়টি ‘কখনোই আমাদের আলোচনার অংশ ছিল না।’
এ ঘটনার সূত্রপাত হয় যেভাবে তা হচ্ছে, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে বলে অভিযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র। এই বিষয়ে জেনেভাতে আলোচনা চলা অবস্থায় ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইমাম আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হন।
এর প্রতিবাদে ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। দীর্ঘ ৩৯ দিন যুদ্ধের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের পারস্পরিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এর পরদিন ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে কোনো সমঝোতা হয়নি। মার্কিন প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষে ছিলেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত যৌথবাহিনীর হামলায় ২০৭৬ নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছে ২৬ হাজারের বেশি মানুষ। একই দিনে মিনাব শহরের শারজাহ তায়্যিবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালানো মার্কিন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৬৮ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়।
সূত্র: আইআরএনএ
এমকেএম
What's Your Reaction?