ইরফান শুক্কুর, ফজলে রাব্বি, ইফতি ও আব্দুল্লাহর সেঞ্চুরি

প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জও। আজ শনিবার শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শেখ মেহেদীর দল ৭ উইকেটে হারিয়েছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে। উইকেটরক্ষক ইরফান শুক্কুরের উত্তাল সেঞ্চুরি (৭৫ বলে ৫ ছক্কা ও ১৮ বাউন্ডারিতে ১২৭ নট আউট) লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জকে কক্ষপথে ধরে রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছে। গাজী গ্রুপের ২১০ রানের মাঝারি স্কোরের জবাবে শুরু ভালো হয়নি। ১৭ রানে পতন ঘটে ২ উইকেটের। সেখান থেকে একদিক আগলে রাখা ইরফান শুক্কুর ঝোড়ো শতকে দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ৩২.২ ওভারেই জয় পেয়ে যায় লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জ। এর আগে ২ পেসার সালাউদ্দীন শাকিল (৩/৩৬) ও আব্দুল হালিমের (৩/৪১) বোলিং তোপে ২১০ রানে থেমে যায় গাজী গ্রুপ। সর্বাধিক ৭৯ (১০৪ বলে ১০ বাউন্ডারি) রান আসে অধিনায়ক সাব্বির হোসেন শিকদারের ব্যাট থেকে। এদিকে আজ ২৩ মে অপর দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স ও ঢাকা লেপার্ডস। বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ঢাকা লেপার্ডস ৩০ রানে হারিয়েছে রুপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবকে। ইফতিখার ইফতি (১০৫ বলে ৯১), অধিনায়ক মিঠুন (৬২ বলে ৭১) ও মইন খানের (৫৪ বলে ৬৯) তিন ‘ফিফটিতে’ ২৬৭ রানের লড়াই করার মতো পুঁজি পা

ইরফান শুক্কুর, ফজলে রাব্বি, ইফতি ও আব্দুল্লাহর সেঞ্চুরি

প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জও। আজ শনিবার শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শেখ মেহেদীর দল ৭ উইকেটে হারিয়েছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে।

উইকেটরক্ষক ইরফান শুক্কুরের উত্তাল সেঞ্চুরি (৭৫ বলে ৫ ছক্কা ও ১৮ বাউন্ডারিতে ১২৭ নট আউট) লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জকে কক্ষপথে ধরে রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছে। গাজী গ্রুপের ২১০ রানের মাঝারি স্কোরের জবাবে শুরু ভালো হয়নি। ১৭ রানে পতন ঘটে ২ উইকেটের। সেখান থেকে একদিক আগলে রাখা ইরফান শুক্কুর ঝোড়ো শতকে দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ৩২.২ ওভারেই জয় পেয়ে যায় লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জ।

এর আগে ২ পেসার সালাউদ্দীন শাকিল (৩/৩৬) ও আব্দুল হালিমের (৩/৪১) বোলিং তোপে ২১০ রানে থেমে যায় গাজী গ্রুপ। সর্বাধিক ৭৯ (১০৪ বলে ১০ বাউন্ডারি) রান আসে অধিনায়ক সাব্বির হোসেন শিকদারের ব্যাট থেকে।

এদিকে আজ ২৩ মে অপর দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স ও ঢাকা লেপার্ডস। বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ঢাকা লেপার্ডস ৩০ রানে হারিয়েছে রুপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবকে।

ইফতিখার ইফতি (১০৫ বলে ৯১), অধিনায়ক মিঠুন (৬২ বলে ৭১) ও মইন খানের (৫৪ বলে ৬৯) তিন ‘ফিফটিতে’ ২৬৭ রানের লড়াই করার মতো পুঁজি পায় লেপার্ডস। জবাবে মিডল অর্ডার আব্দুল্লাহ (১২৮ বলে ১০০) আর মুকতার আলী (২৯ বলে ৫৭) চেষ্টা করেও রুপগঞ্জ টাইগার্সের হার এড়াতে পারেননি।

অন্যদিকে বিকেএসপি তিন নম্বর মাঠে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৭ রানে হারিয়েছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স।

ফজলে মাহমুদ রাব্বির (১১৩ বলে ৫ ছক্কা ও ১৩ বাউন্ডারিতে ১৩২ অপরাজিত) অসাধারণ শতকের সঙ্গে ওপেনার ইমরানউজ্জামান (১১৭ বলে ২ ছক্কা ও ১০ বাউন্ডারিতে ৯৬) আরেকটি ৯০-ঊর্ধ্ব ইনিংস যোগ হলে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স পায় বড়সড় স্কোরের ভিত।

এর সঙ্গে অভিজ্ঞ জিয়া শেষ দিকে ঝড় তুলে মাত্র ২২ বলে ৬টি বিরাট ছক্কা হাকিয়ে ৪৬ রানের হার না মানা ইনিংস উপহার দিলে ৩২৪ রানের বিশাল স্কোর পায় নুরুল হাসান সোহানের বসুন্ধরা।

জবাবে ব্রাদার্স খুব কাছে গিয়েও ৭ রানে হার মানে। ব্রাদার্সের ওপেনার শাহরিয়ার কোমল (৬১ বলে ৬৯), আদিল বিন সাতিক (৪৭ বলে ৪১), ফয়সাল আহমেদ রায়হান (৪২ বলে ৪৫) আর শরিফুল (৪৭ বলে ৫২) হাত খুলে খেললেও দল জেতাতে পারেননি।

এআরবি/আইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow