ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা আজ, নিরাপত্তায় কঠোর পাকিস্তান
বিশ্বের নজর এখন ইসলামাবাদে। শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে ইতোমধ্যে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পাকিস্তান সরকার। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ‘রেড জোন’ এলাকায় সব ধরনের প্রবেশ ও যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত যেখানে সাংবাদিকদের প্রবেশের অনুমতি ছিল, এখন তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত। রেড জোনের আশপাশে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের জন্য জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টার বরাদ্দ দিয়েছে, সেখান থেকেই তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সংবাদ সংগ্রহ করছেন। তবে এখন পর্যন্ত আলোচনায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদলের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, তাদের আগমনের নির্দিষ্ট সময় কিংবা আলোচনার কাঠামো-এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইতোমধ্যে এয়ার ফোর্স টু-তে করে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, যা এই আলোচনার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত বৈঠকটি অ
বিশ্বের নজর এখন ইসলামাবাদে। শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে ইতোমধ্যে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পাকিস্তান সরকার।
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ‘রেড জোন’ এলাকায় সব ধরনের প্রবেশ ও যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত যেখানে সাংবাদিকদের প্রবেশের অনুমতি ছিল, এখন তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত। রেড জোনের আশপাশে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের জন্য জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টার বরাদ্দ দিয়েছে, সেখান থেকেই তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সংবাদ সংগ্রহ করছেন।
তবে এখন পর্যন্ত আলোচনায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদলের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, তাদের আগমনের নির্দিষ্ট সময় কিংবা আলোচনার কাঠামো-এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইতোমধ্যে এয়ার ফোর্স টু-তে করে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, যা এই আলোচনার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তবে শেষ পর্যন্ত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। বিশেষ করে লেবাননে ইসরায়েলের চলমান হামলাকে কেন্দ্র করে ইরান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ওই যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়। এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েল।
চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই পক্ষ পরস্পরের দিকে আঙুল তুললেও, উভয় দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা আলোচনায় ইতিবাচক ফলের আশা প্রকাশ করেছেন। তবে শর্ত পূরণ না হলে কঠোর অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে উভয় পক্ষ।
সূত্র : বিবিসি বাংলা।
What's Your Reaction?