ইস্তিগফার মুক্তির পথ দেখায়
হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি গুরুত্বসহকারে ইস্তিগফার করতে থাকে, আল্লাহতায়ালা তার প্রত্যেক অসুবিধায় মুক্তির পথ করে দেন, প্রত্যেক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন এবং এমন জায়গা থেকে রিজিক দেন, যা তার কল্পনায়ও ছিল না।’ (আবু দাউদ: ১৫১৮)
শিক্ষা
১. মানুষ মাত্রই ভুল করে। অজান্তেই মানুষ থেকে অনেক পাপ ও ভুল হয়ে যায়। তাই সবসময় ইস্তিগফার করা, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা চাই।
২. যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইস্তিগফার করে আল্লাহ তার অসুবিধা দূর করে দেন, দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন এবং অফুরন্ত রিজিক দান করেন।
৩. বান্দা ইস্তিগফার করলে আল্লাহ খুশি হন। নামাজ আদায়ের পরও ইস্তিগফার পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ।
হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি গুরুত্বসহকারে ইস্তিগফার করতে থাকে, আল্লাহতায়ালা তার প্রত্যেক অসুবিধায় মুক্তির পথ করে দেন, প্রত্যেক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন এবং এমন জায়গা থেকে রিজিক দেন, যা তার কল্পনায়ও ছিল না।’ (আবু দাউদ: ১৫১৮)
শিক্ষা
১. মানুষ মাত্রই ভুল করে। অজান্তেই মানুষ থেকে অনেক পাপ ও ভুল হয়ে যায়। তাই সবসময় ইস্তিগফার করা, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা চাই।
২. যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইস্তিগফার করে আল্লাহ তার অসুবিধা দূর করে দেন, দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন এবং অফুরন্ত রিজিক দান করেন।
৩. বান্দা ইস্তিগফার করলে আল্লাহ খুশি হন। নামাজ আদায়ের পরও ইস্তিগফার পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ।