ঈদের আগে পুড়ল ৭ পরিবারের স্বপ্ন
মাদারীপুরের শিবচরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। ঈদের আগমুহূর্তে আয়ের একমাত্র উৎস হারিয়ে দুশ্চিন্তা ও হতাশায় পড়েছেন তারা। সোমবার (১৬ মার্চ) রাত আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটের দিকে উপজেলার বহেরাতলা উত্তর ইউনিয়নের সোতারপাড় বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ আগুন দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে এবং একের পর এক দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। কয়েল বা বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের তাপ এতটাই তীব্র ছিল যে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা নেভানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদকে সামনে রেখে দোকানে নতুন করে মালামাল তোলা হয়েছিল। মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু পুড়ে যাওয়ায় তাদের পরিবারগুলো এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। উপজ
মাদারীপুরের শিবচরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। ঈদের আগমুহূর্তে আয়ের একমাত্র উৎস হারিয়ে দুশ্চিন্তা ও হতাশায় পড়েছেন তারা।
সোমবার (১৬ মার্চ) রাত আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটের দিকে উপজেলার বহেরাতলা উত্তর ইউনিয়নের সোতারপাড় বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ আগুন দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে এবং একের পর এক দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
কয়েল বা বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের তাপ এতটাই তীব্র ছিল যে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা নেভানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদকে সামনে রেখে দোকানে নতুন করে মালামাল তোলা হয়েছিল। মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু পুড়ে যাওয়ায় তাদের পরিবারগুলো এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
উপজেল নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। ঈদের পূর্ব মুহূর্তে এরকম ঘটনা খুবই দুঃখজনক। ক্ষতিগ্রস্তরা যদি আমাদের কাছে আসে আমরা যতটুক পারি তাদের আর্থিক সহায়তা করার চেষ্টা করব।
What's Your Reaction?