ঈদে বাড়ি ফেরা হয়নি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১ আনসার সদস্যের

ঈদ মানেই ঘরে ফেরা, প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো। তবে এই আনন্দ সবার ভাগ্যে জোটে না। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১ জন আনসার সদস্য এবারের ঈদে বাড়ি ফিরতে পারেননি। দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের থাকতে হয়েছে ক্যাম্পাসেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে মোট ৬৪ জন আনসার সদস্য কর্মরত। এর মধ্যে অধিকাংশই ঈদের ছুটিতে বাড়ি যেতে পারেননি। ফাঁকা ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতে দিনরাত দায়িত্ব পালন করছেন তারা। ঈদের ছুটিতে শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরলে ক্যাম্পাসজুড়ে নেমে আসে নীরবতা। খালি হয়ে যায় হল, নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে করিডোর ও ক্যান্টিন। তবে এই নির্জনতার মধ্যেও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সক্রিয় থাকেন আনসার সদস্যরা। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আনসার কমান্ডার মো. সুজানুর রহমান সুজন বলেন, ‘ঈদে পরিবারের সঙ্গে থাকতে ইচ্ছা করে। খারাপ তো লাগেই। কিন্তু দায়িত্ব আছে। আমরা থাকি বলেই অন্যরা নিশ্চিন্তে ঈদ উদযাপন করতে পারে। তারপরও মনে হয়, যদি একবার পরিবারের সঙ্গে বসে খেতে পারতাম।’ নিরাপত্তাকর্মী মো. রুবেল হোসেন বলেন, ‘কষ্ট হয়, তবে গর্বও আছে। দেশের জন্য কাজ করছি। মানুষের নিরাপত্তা দিচ্ছি, এটাই বড় বিষয়।’ আরেক আনসার সদস্য মো. বকুল হোসেন ব

ঈদে বাড়ি ফেরা হয়নি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১ আনসার সদস্যের
ঈদ মানেই ঘরে ফেরা, প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো। তবে এই আনন্দ সবার ভাগ্যে জোটে না। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১ জন আনসার সদস্য এবারের ঈদে বাড়ি ফিরতে পারেননি। দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের থাকতে হয়েছে ক্যাম্পাসেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে মোট ৬৪ জন আনসার সদস্য কর্মরত। এর মধ্যে অধিকাংশই ঈদের ছুটিতে বাড়ি যেতে পারেননি। ফাঁকা ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতে দিনরাত দায়িত্ব পালন করছেন তারা। ঈদের ছুটিতে শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরলে ক্যাম্পাসজুড়ে নেমে আসে নীরবতা। খালি হয়ে যায় হল, নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে করিডোর ও ক্যান্টিন। তবে এই নির্জনতার মধ্যেও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সক্রিয় থাকেন আনসার সদস্যরা। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আনসার কমান্ডার মো. সুজানুর রহমান সুজন বলেন, ‘ঈদে পরিবারের সঙ্গে থাকতে ইচ্ছা করে। খারাপ তো লাগেই। কিন্তু দায়িত্ব আছে। আমরা থাকি বলেই অন্যরা নিশ্চিন্তে ঈদ উদযাপন করতে পারে। তারপরও মনে হয়, যদি একবার পরিবারের সঙ্গে বসে খেতে পারতাম।’ নিরাপত্তাকর্মী মো. রুবেল হোসেন বলেন, ‘কষ্ট হয়, তবে গর্বও আছে। দেশের জন্য কাজ করছি। মানুষের নিরাপত্তা দিচ্ছি, এটাই বড় বিষয়।’ আরেক আনসার সদস্য মো. বকুল হোসেন বলেন, ‘ঈদের দিন বাড়ির কথা বেশি মনে পড়ে। ফোনে দেখি সবাই একসঙ্গে আছে, কিন্তু আমি থাকি না তখন খারাপ লাগে। তবে ক্যাম্পাসে আমাদের জন্য ঈদ বোনাস এবং দাওয়াতের আয়োজন করা হয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তরিকুল ইসলাম জনি বলেন, ‘প্রয়োজনের তুলনায় আনসার সদস্য কম থাকায় অনেককেই ক্যাম্পাসে থেকে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। তবে ঈদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তারা যেভাবে দায়িত্ব পালন করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাদের এই ত্যাগেই ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে রয়েছে।’ ঈদের দিনে যখন চারপাশে আনন্দ-উৎসব চলে, তখন এই আনসার সদস্যরা নীরবে দায়িত্ব পালন করেন। সীমিত আয়োজনের মধ্যেই সহকর্মীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন ঈদের সময়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার সদস্যরা নিয়মিত টহল ও দায়িত্ব পালন করছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow