ঈদে বাড়ি যাওয়ার আগে যেগুলো করতে ভুলবেন না
ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে আমরা অনেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফিরি। তবে বাড়ি ছাড়ার আগে আনন্দের আতিশয্যে অনেক সময় ছোটখাটো কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ আমরা ভুলে যাই। সামান্য একটু অসতর্কতা আপনার অনুপস্থিতিতে বড় কোনো বিপদের কারণ হতে পারে। তাই নিরাপদ ও নিশ্চিন্তে ছুটি কাটাতে ঘর ছাড়ার আগে এই ৬টি কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। ১. গ্যাস ও বৈদ্যুতিক সুইচ পরীক্ষা ঈদের ছুটিতে ঘর ছাড়ার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো গ্যাস ও বিদ্যুতের মেইন সুইচ পরীক্ষা করা। রান্নার পর চুলা ভালোভাবে বন্ধ হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করুন। সম্ভব হলে সিলিন্ডারের রেগুলেটর বা গ্যাসের মেইন লাইন বন্ধ করে দিন। ফ্রিজ ছাড়া অন্য সব বৈদ্যুতিক যন্ত্র যেমন—এসি, ওভেন, কম্পিউটার ও গিজারের প্লাগ খুলে রাখুন। এতে শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি যেমন কমে, তেমনি বিদ্যুতও সাশ্রয় হয়। ২. পানির ট্যাপ ও মেইন ভালভ বন্ধ করা বাসার ভেতরের পানির কলগুলো ঠিকমতো বন্ধ আছে কি না দেখে নিন। অনেক সময় কলের মুখ থেকে সামান্য পানি পড়লে কয়েক দিনের ছুটিতে পুরো ঘর পানিতে ভেসে যেতে পারে। সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো বাসার পানির মেইন ভালভ বা
ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে আমরা অনেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফিরি। তবে বাড়ি ছাড়ার আগে আনন্দের আতিশয্যে অনেক সময় ছোটখাটো কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ আমরা ভুলে যাই। সামান্য একটু অসতর্কতা আপনার অনুপস্থিতিতে বড় কোনো বিপদের কারণ হতে পারে। তাই নিরাপদ ও নিশ্চিন্তে ছুটি কাটাতে ঘর ছাড়ার আগে এই ৬টি কাজ করা অত্যন্ত জরুরি।
১. গ্যাস ও বৈদ্যুতিক সুইচ পরীক্ষা
ঈদের ছুটিতে ঘর ছাড়ার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো গ্যাস ও বিদ্যুতের মেইন সুইচ পরীক্ষা করা। রান্নার পর চুলা ভালোভাবে বন্ধ হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করুন। সম্ভব হলে সিলিন্ডারের রেগুলেটর বা গ্যাসের মেইন লাইন বন্ধ করে দিন। ফ্রিজ ছাড়া অন্য সব বৈদ্যুতিক যন্ত্র যেমন—এসি, ওভেন, কম্পিউটার ও গিজারের প্লাগ খুলে রাখুন। এতে শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি যেমন কমে, তেমনি বিদ্যুতও সাশ্রয় হয়।
২. পানির ট্যাপ ও মেইন ভালভ বন্ধ করা
বাসার ভেতরের পানির কলগুলো ঠিকমতো বন্ধ আছে কি না দেখে নিন। অনেক সময় কলের মুখ থেকে সামান্য পানি পড়লে কয়েক দিনের ছুটিতে পুরো ঘর পানিতে ভেসে যেতে পারে। সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো বাসার পানির মেইন ভালভ বা চাবিটি বন্ধ করে দেওয়া। এছাড়া টয়লেটের কমোড বা বালতিতে জমানো পানি ফেলে দিন, যাতে সেখানে মশা বংশবিস্তার করতে না পারে।
৩. ঘরের সুরক্ষা ও তালা নিশ্চিত করা
ঘর ছাড়ার আগে প্রতিটি জানালার লক ভালোভাবে চেক করুন। বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে কোনো পকেট গেট থাকলে তা তালাবদ্ধ করুন। বাসার মেইন গেটে অবশ্যই মজবুত তালা ব্যবহার করবেন। যদি সম্ভব হয়, বিশ্বস্ত কোনো প্রতিবেশী বা দারোয়ানকে আপনার অনুপস্থিতির কথা জানিয়ে যান, যেন তারা মাঝেমধ্যে আপনার বাসার দিকে নজর রাখতে পারেন।
৪. পচনশীল খাবার ও আবর্জনা পরিষ্কার
ছুটিতে যাওয়ার আগে ফ্রিজে রাখা পচনশীল খাবারগুলো হয় খেয়ে ফেলুন, নয়তো কাউকে দিয়ে দিন। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে ফ্রিজের খাবার পচে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে। এছাড়া ঘরের ময়লা ফেলার ঝুড়িতে কোনো আবর্জনা জমিয়ে রাখবেন না। জমে থাকা ময়লা থেকে ঘরে পোকামাকড় ও দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়, যা ফিরে আসার পর আপনার মেজাজ বিগড়ে দিতে পারে।
৫. ইনডোর প্ল্যান্ট ও পোষা প্রাণীর ব্যবস্থা
যাদের ঘরে গাছ আছে, তারা যাওয়ার আগে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে যান অথবা এমন কোনো ব্যবস্থা করুন যাতে মাটি আর্দ্র থাকে। যদি বাসায় কোনো পোষা প্রাণী থাকে, তবে তাদের সঙ্গে নিয়ে যান অথবা কোনো বিশ্বস্ত ‘পেট কেয়ার’ বা আত্মীয়র বাসায় রেখে যান। বদ্ধ ঘরে খাবার ও পানি দিয়ে একা ফেলে যাওয়া তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
৬. মূল্যবান জিনিসপত্র ও চাবি সামলানো
নগদ টাকা বা গয়না বাসায় না রাখাই ভালো। তবে রাখতে হলে তা লকারে বা অত্যন্ত নিরাপদ স্থানে রাখুন। বাসার চাবি কখনোই দরজার ওপরের ফ্রেম বা পাপোশের নিচে রেখে যাবেন না, এটি চোরদের জন্য খুব সহজ সংকেত। আলমারি বা ড্রয়ারের চাবিগুলো গুছিয়ে নিজের সঙ্গেই রাখুন অথবা কোনো গোপন নিরাপদ স্থানে রেখে যান। প্রয়োজনে নিকটস্থ থানার বাসার গুরুত্বপূর্ণ জিনিস জমা দিয়ে যেতে পারেন।
ছুটিতে যাওয়ার আগে এই ছোট ছোট প্রস্তুতিগুলো আপনার ঘরকে রাখবে নিরাপদ এবং আপনাকে দেবে মানসিকভাবে প্রশান্তি।
What's Your Reaction?