ঈদ মোবারক: সবার জীবনে আসুক ঈদের আনন্দের অনাবিল ছোঁয়া

পবিত্র ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর জন্য কেবল একটি উৎসব নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ এবং বিশ্বজনীন সম্প্রীতি ভ্রাতৃত্বের ও মিলনের এক অনন্য মহিমা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যখন পশ্চিম আকাশে বাঁকা চাঁদ ফুটে ওঠে, তখন ধনী-দরিদ্র, রাজা-প্রজা নির্বিশেষে সবার হৃদয়ে বেজে ওঠে মিলনের সুর।  কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায়, "আজ ভুলে যা তোর দোস্ত-দুশমন, হাত মেলাও হাতে, তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ। এই দিনটি আমাদের শেখায় ভেদাভেদ ভুলে একে অপরকে বুকে টেনে নিতে। এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আজ আমরা এক বৈষম্যহীন আনন্দ আয়োজনে শামিল হয়েছি। ঈদ মানেই আনন্দ। ঈদ মানেই সম্প্রীতি। আর আনন্দে-সম্প্রীতির কোনো সীমানা নেই। তাই কেবল মুসলিম ভাইদের নয়, বিশ্বের সকল ধর্মাবলম্বী ও শান্তিকামী মানুষকে জানাই ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা। সকল সনাতন, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী বন্ধুদের জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। রজনীকান্ত সেনের ভাষায় "সবাই মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান।" মানুষের বড় পরিচয় সে মানুষ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই অমোঘ বাণীর মতো "সবাইকে আজ দিতে হবে ঠাঁই, নাইলে কারে আপন করি নাই" এই দর্শনেই আমাদের ঈ

ঈদ মোবারক: সবার জীবনে আসুক ঈদের আনন্দের অনাবিল ছোঁয়া
পবিত্র ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর জন্য কেবল একটি উৎসব নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ এবং বিশ্বজনীন সম্প্রীতি ভ্রাতৃত্বের ও মিলনের এক অনন্য মহিমা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যখন পশ্চিম আকাশে বাঁকা চাঁদ ফুটে ওঠে, তখন ধনী-দরিদ্র, রাজা-প্রজা নির্বিশেষে সবার হৃদয়ে বেজে ওঠে মিলনের সুর।  কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায়, "আজ ভুলে যা তোর দোস্ত-দুশমন, হাত মেলাও হাতে, তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ। এই দিনটি আমাদের শেখায় ভেদাভেদ ভুলে একে অপরকে বুকে টেনে নিতে। এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আজ আমরা এক বৈষম্যহীন আনন্দ আয়োজনে শামিল হয়েছি। ঈদ মানেই আনন্দ। ঈদ মানেই সম্প্রীতি। আর আনন্দে-সম্প্রীতির কোনো সীমানা নেই। তাই কেবল মুসলিম ভাইদের নয়, বিশ্বের সকল ধর্মাবলম্বী ও শান্তিকামী মানুষকে জানাই ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা। সকল সনাতন, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী বন্ধুদের জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। রজনীকান্ত সেনের ভাষায় "সবাই মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান।" মানুষের বড় পরিচয় সে মানুষ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই অমোঘ বাণীর মতো "সবাইকে আজ দিতে হবে ঠাঁই, নাইলে কারে আপন করি নাই" এই দর্শনেই আমাদের ঈদ হোক সর্বজনীন। আজ যখন আমরা ঈদের নতুন পোশাকে আনন্দ করছি, তখন ফিলিস্তিন, গাজা, লেবানন, ইরান ও আফগানিস্তানের আকাশ বারুদের গন্ধে ভারী, তা আমাদের হৃদয়কে ব্যথিত করে। ধ্বংসস্তূপের মাঝে যে শিশুটি আজ ঈদের চাঁদ খুঁজছে, যেসব বীর নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ দেশ ও ধর্মের জন্য প্রাণ হারিয়েছেন, কিংবা যারা স্বজন হারিয়েছেন। আমরা তাদের ধৈর্য ও সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাই। আমাদের মোনাজাতের বড় একটি অংশ জুড়ে থাকুক তাদের মুক্তি ও শান্তি। সংঘাত ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় জর্জরিত ভাই-বোনদের জন্য রইল ভালোবাসা। সীমানা ছাপিয়ে আমাদের দোয়া পৌঁছে যাক তাদের দুয়ারে।  দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে আফগানিস্তানের মানুষ যেন আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে, এই ঈদে এটাই আমাদের একান্ত চাওয়া। তাদের সবার প্রতি রইল আমাদের গভীর ভালোবাসা ও অকৃত্রিম দোয়া। ঈদ মানে কেবল নিজের আনন্দ নয়, বরং নিপীড়িত মানুষের ব্যথায় ব্যথিত হওয়া। ধ্বংসস্তূপের মাঝে যে শিশুটি আজ এতিম, তার ঈদ কাটছে চোখের জলে। যারা সত্য ও ন্যায়ের পথে লড়ে জীবন দিয়েছেন, সেই সকল শহীদ নেতৃবৃন্দ ও আহতদের ত্যাগের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে জানাই ঈদ মোবারক। রক্তের সম্পর্কের মানুষদের খোঁজ নেওয়ার নামই ঈদ। বছরের সব দূরত্ব ঘুচিয়ে আজ আত্মীয়দের সাথে কুশল বিনিময় ও প্রীতিভোজের মাধ্যমে গড়ে উঠুক অটুট বন্ধন।  আমাদের আনন্দ পূর্ণতা পায় যখন আমরা আত্মীয়, অনাত্মীয় ও পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে হাসি-খুশি ভাগ করে নিই। আপনার পাশের ঘরের মানুষটি আনন্দিত তো? পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে কোলাকুলি আর সেমাই বিনিময়েই বাড়ে ঈদের মাধুর্য। তাই পাশের ঘরের মানুষটির খোঁজ নেওয়াই হোক আজকের অন্যতম কাজ। সমাজ গঠনে নারী ও পুরুষ উভয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য। গৃহকোণে মা-বোনদের অক্লান্ত পরিশ্রম আর পুরুষদের ত্যাগের বিনিময়ে ঈদ হয়ে ওঠে সার্থক। সমাজের অবহেলিত হিজড়া ও ট্রান্সজেন্ডার ভাই-বোনদের অবজ্ঞার চোখে নয়, বরং পরম মমতায় বুকে টেনে নেওয়ার নামই ইসলাম। তাদের ঈদ হোক আনন্দময় ও সম্মানজনক। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিতে কোনো ভেদাভেদ নেই। তাই পুরুষ, মহিলা থেকে শুরু করে হিজড়া ও ট্রান্সজেন্ডার সকলকেই জানাই ঈদের ভালোবাসা। সমাজের মূলধারায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করাই হোক এবারের ঈদের অঙ্গীকার। লিঙ্গ পরিচয় নয়, মানুষ হিসেবেই আমরা পরস্পরকে সম্মান জানাব। যারা হাসপাতালে বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সুস্থ শরীর আল্লাহর নেয়ামত, আর অসুস্থদের সেবা করা পরম ইবাদত। যারা সুস্থ শরীরে ঈদ পালন করছেন, তারা শুকরিয়া আদায় করুন। আর যারা হাসপাতালের বিছানায় কিংবা বাড়িতে অসুস্থ অবস্থায় কাতরাচ্ছেন, তাদের প্রতি রইল সহমর্মিতা। আপনাদের আরোগ্য কামনায় আজকের এই দিন উৎসর্গ করছি। ইসলামি দর্শনে ধনীর সম্পদে গরিবের হক আছে। ফিতরা ও সদকার মাধ্যমে উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা যেন নিম্নবিত্তের মুখে হাসি ফোটায়, তবেই ঈদ হবে বৈষম্যহীন। ধনীদের বিলাসিতা আর গরিবের হাহাকারে যেন ঈদ ম্লান না হয়। উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত সকলে একই কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করার মাঝেই সার্থকতা। মনে রাখবেন, "সম্পদ যখন পাহাড় সমান হয়, তখন মানবতা সমতলে নেমে আসে।" তাই প্রাচুর্য যেন আমাদের অহংকারী না করে। দেশ ও দশকে সঠিক পথ দেখানো আলেম সমাজ ও জ্ঞানীদের ঈদ মোবারক। আপনাদের জ্ঞান আমাদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যাক। যারা এখনো শিক্ষার আলো পাননি, সকল জ্ঞানী, মূর্খ, অর্ধশিক্ষিত ও উচ্চশিক্ষিত মানুষকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। জ্ঞান যেন আমাদের বিনয়ী করে এবং অজ্ঞতা যেন অন্যের প্রতি বিদ্বেষ তৈরি না করে, এই হোক প্রার্থনা। ভুল পথে চলা মানুষদের জন্যও রয়েছে ক্ষমার দুয়ার। ঈদ হোক তাদের জন্য তওবা বা আত্মশুদ্ধির সুযোগ। যারা ভুল পথে পরিচালিত হয়ে চোর, ডাকাত বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন, তাদের প্রতি আহ্বান- এই পবিত্র দিনে অন্ধকার পথ ছেড়ে আলোর পথে ফিরে আসুন। সমাজ আপনাদের সংশোধনের অপেক্ষায় আছে। প্রতিটি সাদা আর কালো মানুষের জন্য রইল ঈদের শুভেচ্ছা। সাদা আর কালোর মাঝে কোনো পার্থক্য নেই- বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (সা.) এই শিক্ষা দিয়ে গেছেন। বর্ণপ্রথা ভেঙে আমরা সবাই আজ এক কাতারে সামিল। গায়ের রং সাদা হোক বা কালো, শরীর চিকন হোক বা মোটা- সৃষ্টিকর্তার কাছে সবাই সমান। চিকন বা মোটা- শারীরিক গঠন নিয়ে কাউকে উপহাস করা সাজে না। আল্লাহ দেখেন মানুষের অন্তর। প্রতিটি শারীরিক গড়নের মানুষের জন্য রইল ঈদের শুভেচ্ছা। শিশুর হাসিতে, কিশোরের চপলতায়, যুবকের উদ্দীপনায় আর বৃদ্ধের অভিজ্ঞতার ছায়ায় ঈদ হয়ে উঠুক মধুময়। শিশুদের কাছে ঈদ মানেই চাঁদ রাত থেকে শুরু হওয়া সীমাহীন উত্তেজনা। নতুন জামা আর সেলামির আনন্দে তাদের শৈশব রাঙিয়ে উঠুক। বয়সের ব্যবধান যেন কেবল শ্রদ্ধার হয়, দূরত্বের নয়। আগামী দিনের কর্ণধার কিশোর ও যুবকদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের দেশপ্রেম ও সাহসিকতা ঈদকে আরও অর্থবহ করে তুলুক।  বৃদ্ধাশ্রমে বা ঘরের কোণে পড়ে থাকা প্রবীণদের অভিজ্ঞতার ঝুলি আমাদের পথ দেখায়। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানানো আমাদের পরম কর্তব্য। বেকারত্বের বোঝা যারা বইছেন, তাদের জন্য শুভকামনা। বেকার ও শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রত্যাশা করছি। হতাশ না হয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে চলাই হোক এই ঈদের অঙ্গীকার।  ঈদের দিনেও যারা সাদা অ্যাপ্রন পরে হাসপাতালের করিডোরে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, সেই ডাক্তার ও নার্সদের প্রতি স্যালুট। আপনারা মানবতার প্রকৃত সেবক। চিকিৎসকদের সেবা, শিক্ষকদের শিক্ষা দান, প্রকৌশলী ও স্থপতিদের সৃজনশীলতা, আইনজীবীদের ন্যায়বিচার এবং কৃষকের ঘামঝরা পরিশ্রমে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। অন্ধকার দূর করে যারা আমাদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন, সেই শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। আপনাদের ত্যাগের ঋণ অপরিশোধিত। যাদের ঘামে আমাদের অন্ন জোগায় সেই কৃষক এবং যাযাবর বেদে সম্প্রদায়- সবার ঘরেই যেন ঈদের খুশি পৌঁছায়। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটুক তাদের দিন। আমরা যখন নিশ্চিন্তে ঘুমাই বা ঈদের আনন্দ করি, তখন রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে আপনারা সীমান্ত ও রাজপথ পাহারা দেন। আপনাদের ত্যাগই আমাদের নিরাপত্তা। সঠিক সংবাদ তুলে ধরে সমাজকে জাগ্রত রাখা সাংবাদিকদের ঈদ হোক সত্যের পক্ষে লড়াই করার নতুন প্রেরণা। ডিজিটাল দুনিয়ায় আমাদের জীবন সহজ করে দেওয়া প্রযুক্তিবিদদের হাত ধরেই আসুক আগামীর বিপ্লব।  রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে যারা আজ নিজ ভূমিতে পরবাসী, সেইসব গৃহহীন ও কর্মহীন মানুষদের প্রতি রইল গভীর সমবেদনা। মিথ্যে মামলার বেড়াজালে পিষ্ট হয়ে যাদের ঈদ কাটে আদালতের বারান্দায় কিংবা বন্দিশালায়, তাদের আর্তনাদে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। উৎসবের আনন্দ যাদের দুয়ারে পৌঁছায় না, বরং অমানবিক জীবনসংগ্রাম যাদের নিত্যসঙ্গী, তাদের এই ত্যাগ বৃথা যেতে পারে না। প্রিয়জনহীন শূন্য ঘরে ঈদ যাদের কাছে কেবলই এক দীর্ঘশ্বাস, তাদের এই দুঃসহ যাতনা লাঘব হোক মানবিক সংহতিতে। বুকভরা কষ্ট চেপে রাখা এই লড়াকু মানুষদের প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা ও ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা। আঁধার কেটে একদিন নিশ্চয়ই আপনাদের জীবনে সুবিচার ও মুক্তির নতুন সূর্য উদিত হবে। দেশপ্রেমের কারণে যারা চাকরি হারিয়েছেন কিংবা নিগৃহীত হয়েছেন, যেমন তাপসী তাবাসসুম উর্মি- তাদের ধৈর্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকাকে আমরা সম্মান জানাই। আপনাদের এই ত্যাগ ইতিহাসের পাতায় অক্ষয় হয়ে থাকবে। ন্যায়ের পথে বিজয় সুনিশ্চিত। ঈদ আমাদের শেখায় কোনো মানুষই ছোট নয়। পেশা বা পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিচার না করে, গুণ দিয়ে বিচার করাই হোক আজকের দিনের শপথ। পরিশেষে, ঈদের এই অনাবিল ছোঁয়া ছড়িয়ে পড়ুক টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, গাজা থেকে ক্যালিফোর্নিয়া। হিংসা, বিদ্বেষ ও যুদ্ধের দামামা থেমে গিয়ে পৃথিবীতে নেমে আসুক শাশ্বত শান্তি। সকল ক্লান্তি মুছে দিয়ে আমাদের জীবন হয়ে উঠুক ছন্দময়। ঈদ শেষে চাঁদ ডুবে যাবে, উৎসবের আমেজ ফিকে হবে, কিন্তু ঈদের শিক্ষা যেন আমাদের হৃদয়ে অমলিন থাকে। কবি ইকবালের ভাষায়, "নিজের মধ্যে লুকিয়ে থাকা পশুত্বকে কুরবানি দেওয়াই হলো আসল কুরবানি।" আসুন, আমরা একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ এবং প্রেমময় পৃথিবী গড়ে তুলি যেখানে ধর্ম-বর্ণ-পেশার কোনো দেয়াল থাকবে না। সবাইকে আবারও জানাই প্রাণঢালা ঈদ মোবারক। লেখক: প্রাবন্ধিক, কথা সাহিত্যিক, প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী সংগঠন ফ্রিডম ইন্টারন্যাশনাল এন্টি অ্যালকোহল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow