উজানের ঢলে ফুলছে পদ্মা, রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ পানি
ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে আবারও পানি বাড়তে শুরু করেছে রাজশাহীর পদ্মা নদীতে। টানা কয়েক দিনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় সোমবার রাজশাহী পয়েন্টে পানির উচ্চতা দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ০৮ মিটার (এমএসএল), যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ। তবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় আপাতত বন্যার আশঙ্কা নেই।
রাজশাহী পাউবো সূত্র জানায়, জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে পদ্মার পানি বাড়তে শুরু করে। গত ৫ জুলাই সকাল ৯টায় রাজশাহী পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১০ দশমিক ৫৩ মিটার। ৭ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত পানি কিছুটা কমে ১০ দশমিক ৩৪ মিটারে নেমে আসে। তবে ১০ জুলাই থেকে আবারও পানি বাড়তে শুরু করে। ওই দিন পানি ছিল ১০ দশমিক ৪১ মিটার, ১১ জুলাই তা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ দশমিক ৫৯ মিটার এবং রোববার (১২ জুলাই) সকালে রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৯০ মিটার। সর্বশেষ সোমবার সকালে পানির উচ্চতা পৌঁছেছে ১১ দশমিক ০৮ মিটারে।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের শহর রক্ষা শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু হুরায়রা কালবেলাকে বলেন, উজানের ঢলের কারণে পদ্মার পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। সোমবার সকালে রাজশাহী পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১১ দশমিক ০৮ মিটার (এম
ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে আবারও পানি বাড়তে শুরু করেছে রাজশাহীর পদ্মা নদীতে। টানা কয়েক দিনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় সোমবার রাজশাহী পয়েন্টে পানির উচ্চতা দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ০৮ মিটার (এমএসএল), যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ। তবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় আপাতত বন্যার আশঙ্কা নেই।
রাজশাহী পাউবো সূত্র জানায়, জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে পদ্মার পানি বাড়তে শুরু করে। গত ৫ জুলাই সকাল ৯টায় রাজশাহী পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১০ দশমিক ৫৩ মিটার। ৭ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত পানি কিছুটা কমে ১০ দশমিক ৩৪ মিটারে নেমে আসে। তবে ১০ জুলাই থেকে আবারও পানি বাড়তে শুরু করে। ওই দিন পানি ছিল ১০ দশমিক ৪১ মিটার, ১১ জুলাই তা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ দশমিক ৫৯ মিটার এবং রোববার (১২ জুলাই) সকালে রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৯০ মিটার। সর্বশেষ সোমবার সকালে পানির উচ্চতা পৌঁছেছে ১১ দশমিক ০৮ মিটারে।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের শহর রক্ষা শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু হুরায়রা কালবেলাকে বলেন, উজানের ঢলের কারণে পদ্মার পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। সোমবার সকালে রাজশাহী পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১১ দশমিক ০৮ মিটার (এমএসএল) রেকর্ড করা হয়েছে। রাজশাহীতে পদ্মার বিপৎসীমা ১৮ দশমিক ০৫ মিটার। অর্থাৎ বর্তমানে পানি বিপৎসীমার প্রায় ৬ দশমিক ৯৭ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই আপাতত বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই। তবে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
এদিকে সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, পদ্মা নদীর বুকে জেগে ওঠা ছোট ছোট চরগুলোতে পানি উঠতে শুরু করেছে। নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চলের চরগুলো ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে।
চর খিদিরপুরের বাসিন্দা ফারুক হোসেন বলেন, কয়েক দিন ধরে পদ্মার পানি বাড়ছে। এরই মধ্যে ছোট ছোট চরগুলো তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। তাই চরাঞ্চলের মানুষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের বাসিন্দা আহাদ বলেন, বর্ষা মৌসুমে পদ্মার পানি বাড়া স্বাভাবিক ঘটনা। বর্তমানে মাঝনদীর ছোট চরগুলো পানির নিচে চলে যাচ্ছে। তবে নদীর পানি এখনো মূল বসতি থেকে অনেক দূরে রয়েছে। ফলে আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তিনি বলেন, আগের তুলনায় চরাঞ্চলের মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। প্রয়োজন হলে তারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাবেন।
রাজশাহী নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের গাবতলী পাটুলিঘাটের নৌকার মাঝি জিয়া বলেন, নতুন পানির সঙ্গে প্রচুর কচুরিপানা ভেসে আসছে, যা সাধারণত উজানের ঢলের লক্ষণ। তাঁর ভাষায়, আষাঢ়ের শেষ ভাগ থেকে শ্রাবণজুড়ে পদ্মার পানি আরও বাড়ার প্রবণতা থাকে।
পদ্মাপাড়ের চর খানপুর এলাকার বাসিন্দা ইমরান বলেন, বর্ষা মৌসুমে কচুরিপানা ভেসে আসা স্বাভাবিক ঘটনা। এটিও নদীর পানি বৃদ্ধির একটি স্বাভাবিক চিত্র।