উত্তর ইসরায়েলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ

ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যম ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, ইরান থেকে ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করার পরপরই এই বিস্ফোরণগুলো ঘটে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে এবং পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। ইরানের পক্ষ থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শনাক্ত হওয়ার পর উত্তর ইসরায়েলের জনপদগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানিকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এই দাবি করেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ইরান। দাবিটি সত্য হলে চলমান যুদ্ধে এটি হবে সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের হত্যাকাণ্ডগুলোর একটি। এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হন। লারিজানিকে সর্বশেষ জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল গত শুক্রবার তেহরানে আয়োজিত আল-কুদস দিবসের সমাবেশে। সেখানে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে মিছিলে

উত্তর ইসরায়েলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ

ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যম ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, ইরান থেকে ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করার পরপরই এই বিস্ফোরণগুলো ঘটে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে এবং পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। ইরানের পক্ষ থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শনাক্ত হওয়ার পর উত্তর ইসরায়েলের জনপদগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানিকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এই দাবি করেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ইরান।

দাবিটি সত্য হলে চলমান যুদ্ধে এটি হবে সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের হত্যাকাণ্ডগুলোর একটি। এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হন।

লারিজানিকে সর্বশেষ জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল গত শুক্রবার তেহরানে আয়োজিত আল-কুদস দিবসের সমাবেশে। সেখানে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে মিছিলে অংশ নেন।

ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব লারিজানি। তিনি একসময় পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক আলোচনা নেতৃত্ব দেন। এছাড়া তিনি দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow