উপজেলা কর্মকর্তাকে বেঁধে ভয়াবহ ডাকাতি!

নাটোরের গুরুদাসপুরে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তার বাসভবনে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (০২ মে) রাত ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সরকারি কোয়ার্টারে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে।  উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম কালবেলাকে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাংলোর পাশের কোয়ার্টারের রুপালি ভবনের নিচতলায় পরিবার নিয়ে বাস করেন তিনি। শুক্রবার রাত তিনটার দিকে জানালার গ্রিল ভেঙে ৫-৭ জন ডাকাত তার বাড়িতে প্রবেশ করে।  তিনি আরও জানান, প্রথমে বাড়ির তিনটি কক্ষে ঢুকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জিম্মি করে পরিবারের সদস্যদের। পরে সিরাজুল ইসলামের শয়ন কক্ষে প্রবেশ করে স্ত্রীর গলায় দেশীয় অস্ত্র ঠেকিয়ে তার হাত-পা এবং মুখ বেঁধে ফেলে ডাকাত দল। সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী জানান, তার গলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে তিনটি কক্ষের মালামাল লুট করা হয়। চেইন, আংটিসহ ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, রুপার নূপুর, তিনটি এনড্রয়েট মোবাইল এবং নগদ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। প্রাণ ভয়ে আমরা চিৎকার করতে পারিনি। ডাকাত দল চলে যাওয়ার পর ইউএনওর নৈশপ্রহরী আমাদের উদ্ধার করেন। থানা চত্বরের ব্যবসায়ী মুক্তারসহ স্থানীয়রা কালবেলাকে বলেন, মাদকের ভয়াবহতা বাড়ায় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়

উপজেলা কর্মকর্তাকে বেঁধে ভয়াবহ ডাকাতি!

নাটোরের গুরুদাসপুরে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তার বাসভবনে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (০২ মে) রাত ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সরকারি কোয়ার্টারে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। 

উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম কালবেলাকে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাংলোর পাশের কোয়ার্টারের রুপালি ভবনের নিচতলায় পরিবার নিয়ে বাস করেন তিনি। শুক্রবার রাত তিনটার দিকে জানালার গ্রিল ভেঙে ৫-৭ জন ডাকাত তার বাড়িতে প্রবেশ করে। 

তিনি আরও জানান, প্রথমে বাড়ির তিনটি কক্ষে ঢুকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জিম্মি করে পরিবারের সদস্যদের। পরে সিরাজুল ইসলামের শয়ন কক্ষে প্রবেশ করে স্ত্রীর গলায় দেশীয় অস্ত্র ঠেকিয়ে তার হাত-পা এবং মুখ বেঁধে ফেলে ডাকাত দল।

সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী জানান, তার গলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে তিনটি কক্ষের মালামাল লুট করা হয়। চেইন, আংটিসহ ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, রুপার নূপুর, তিনটি এনড্রয়েট মোবাইল এবং নগদ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। প্রাণ ভয়ে আমরা চিৎকার করতে পারিনি। ডাকাত দল চলে যাওয়ার পর ইউএনওর নৈশপ্রহরী আমাদের উদ্ধার করেন।

থানা চত্বরের ব্যবসায়ী মুক্তারসহ স্থানীয়রা কালবেলাকে বলেন, মাদকের ভয়াবহতা বাড়ায় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে চুরি-ডাকাতি। থানার আসে পাশে এমন চুরি-ডাকাতি হওয়ায় আতঙ্ক আরও বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলার এমন ভয়াবহ অবনতির কারণে তারা ব্যবসায়িক অর্থ-সম্পদ রক্ষাসহ নিজেদের প্রাণ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। 

অন্য ভুক্তভোগী রমজান হাজি ও সানাউল্লাহ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা-স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়েছে। বাধা দিলে প্রাণনাশের হুমকি। অথচ থানা সংলগ্ন এলাকায় বাস করে তারা ডাকাতির শিকার হয়েছেন। থানায় অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, ইউএনও অফিসের কর্মকর্তাকে বেঁধে ডাকাতির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তাছাড়া আগের ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ গোপনীয়ভাবে কাজ করছে।

গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ মুঠোফোনে কালবেলাকে বলেন, চুরি-ডাকতি দুঃখজনক ঘটনা। প্রাচীরঘেরা উপাজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে এভাবে ডাকাতি হওয়াটা খুবই উদ্বেগের। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থির উন্নতি ঘটাতে পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow