এখনো কিউবার ৫ প্রদেশে বিদ্যুৎ নেই
-কিউবার পশ্চিমাঞ্চলে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইউএনই জানিয়েছে, জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে আংশিক বিপর্যয় দেখা দেওয়ায় শনিবার রাতে দেশের ১৫টি প্রদেশের মধ্যে পাঁচটি প্রদেশের বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। তবে রোববার ভোর থেকে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। খবর ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরের। কিউবা দীর্ঘদিন ধরেই জ্বালানি সংকটে ভুগছে। দেশটির সরকার বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত জ্বালানি অবরোধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ কমে গেছে। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা এবং জরুরি ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহারও কঠিন হয়ে পড়েছে। ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কিউবায় পাঁচবার দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে। এর মধ্যে জুলাই মাসেই মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে তিনবার জাতীয় গ্রিড বিকল হয়। ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে এ পর্যন্ত মোট ১০টি বড় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাজধানী হাভানায় টানা ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ ছিল না। দেশের অন্যান্য এলাকায় কয়েক দিন পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে মানুষকে। ৭২ বছর বয়
-কিউবার পশ্চিমাঞ্চলে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইউএনই জানিয়েছে, জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে আংশিক বিপর্যয় দেখা দেওয়ায় শনিবার রাতে দেশের ১৫টি প্রদেশের মধ্যে পাঁচটি প্রদেশের বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। তবে রোববার ভোর থেকে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। খবর ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরের।
কিউবা দীর্ঘদিন ধরেই জ্বালানি সংকটে ভুগছে। দেশটির সরকার বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত জ্বালানি অবরোধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ কমে গেছে। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা এবং জরুরি ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহারও কঠিন হয়ে পড়েছে।
২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কিউবায় পাঁচবার দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে। এর মধ্যে জুলাই মাসেই মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে তিনবার জাতীয় গ্রিড বিকল হয়। ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে এ পর্যন্ত মোট ১০টি বড় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাজধানী হাভানায় টানা ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ ছিল না। দেশের অন্যান্য এলাকায় কয়েক দিন পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে মানুষকে।
৭২ বছর বয়সী কাঠমিস্ত্রি জুলিয়ান গঞ্জালেজ বলেন, ‘আমরা যেন জোনাকির মতো জীবন কাটাচ্ছি। সব সময় অন্ধকারে থাকতে হয়। কখন বিদ্যুৎ আসবে, তা কেউ জানে না।’
বিদ্যুৎ সংকটের জন্য কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করলেও ওয়াশিংটনের দাবি, কিউবা সরকারের দুর্বল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাই এ সংকটের মূল কারণ।
কিউবার জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি সাতটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, যেগুলোর বয়স ৪০ বছরেরও বেশি। পুরোনো অবকাঠামো ও জ্বালানির অভাবের কারণে এসব কেন্দ্র প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ছে।
এদিকে সংকট মোকাবিলায় কিউবা সরকার অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। গ্যাস স্টেশন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ফার্মেসিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাত বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
What's Your Reaction?