এনসিপির এক নেতা গ্রেপ্তার

বগুড়ায় অর্থ আত্মসাতের মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা যুগ্ম সদস্য সচিব মিজানুর রহমান সাগরকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।  বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) মোস্তফা মঞ্জুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সুপার জানান, মিজানুর রহমান সাগর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় দায়ের করা একটি মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে হামলা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এর আগে রুবেল প্রামাক নামের একজন গত ৩০ আগস্ট একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের জলেশ্বরীতলা কালী মন্দিরের সামনে থেকে মিজানুর রহমান সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট ঘটনার দিন রাতে কলেজের সামনে চা পানকালে মিজানুরসহ আরও ৪ থেকে ৫ জন মোটরসাইকেলে এসে রুবেলকে জোরপূর্বক অডিটোরিয়ামের পেছনে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মারধর করেন এবং ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন

এনসিপির এক নেতা গ্রেপ্তার

বগুড়ায় অর্থ আত্মসাতের মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা যুগ্ম সদস্য সচিব মিজানুর রহমান সাগরকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। 

বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) মোস্তফা মঞ্জুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সুপার জানান, মিজানুর রহমান সাগর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় দায়ের করা একটি মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে হামলা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এর আগে রুবেল প্রামাক নামের একজন গত ৩০ আগস্ট একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের জলেশ্বরীতলা কালী মন্দিরের সামনে থেকে মিজানুর রহমান সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট ঘটনার দিন রাতে কলেজের সামনে চা পানকালে মিজানুরসহ আরও ৪ থেকে ৫ জন মোটরসাইকেলে এসে রুবেলকে জোরপূর্বক অডিটোরিয়ামের পেছনে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মারধর করেন এবং ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। রুবেল চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। একপর্যায়ে তার বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে ২৮ হাজার ৩০০ টাকা আদায় করেন এবং কাছে থাকা আরও ২২ হাজার ৮০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow