কলেজশিক্ষার্থীর ঘুম ভাঙতে ডাকা হলো পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস
ময়মনসিংহ নগরীতে এক কলেজছাত্রের ঘুম ভাঙতে ডাকা হয়েছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহ নগরীর সানকিপাড়া এলাকার একটি ছাত্রবাসে। সোমবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটার পর মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কলেজশিক্ষার্থীর নাম মো. সোহান মিয়া (১৮)। তিনি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা মো. সোহেল মিয়ার ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ নগরীর সানকিপাড়া এলাকার একটি ছাত্রবাসে বসবাস করে একটি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে লেখাপড়া করেন। ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জুলহাস উদ্দিন বলেন, নগরীর সানকিপাড়া সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির একটি মেসে থাকে কলেজশিক্ষার্থী সোহান। সারারাত সজাগ থেকে ভোর রাতে ঘুমিয়ে পড়ে সে। সহপাঠিরা না ঘুমিয়ে বাইরে চলে যায়। সোহান ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। পরে সকালে সোহানের সহপাঠিরা এসে অনেক ডাকাডাকি করে। সাড়া না পাওয়ায় বিষয়টি আশপাশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানুষজন ভিড় জমাতে থাকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে দরজা ভেঙে ১২ ঘণ্টা পর বিকেল ৪টার দিকে সেহানকে দরজা ভেঙে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। কোতোয়ালি মডেল
ময়মনসিংহ নগরীতে এক কলেজছাত্রের ঘুম ভাঙতে ডাকা হয়েছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহ নগরীর সানকিপাড়া এলাকার একটি ছাত্রবাসে।
সোমবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটার পর মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
কলেজশিক্ষার্থীর নাম মো. সোহান মিয়া (১৮)। তিনি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা মো. সোহেল মিয়ার ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ নগরীর সানকিপাড়া এলাকার একটি ছাত্রবাসে বসবাস করে একটি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে লেখাপড়া করেন।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জুলহাস উদ্দিন বলেন, নগরীর সানকিপাড়া সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির একটি মেসে থাকে কলেজশিক্ষার্থী সোহান। সারারাত সজাগ থেকে ভোর রাতে ঘুমিয়ে পড়ে সে। সহপাঠিরা না ঘুমিয়ে বাইরে চলে যায়। সোহান ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। পরে সকালে সোহানের সহপাঠিরা এসে অনেক ডাকাডাকি করে। সাড়া না পাওয়ায় বিষয়টি আশপাশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানুষজন ভিড় জমাতে থাকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে দরজা ভেঙে ১২ ঘণ্টা পর বিকেল ৪টার দিকে সেহানকে দরজা ভেঙে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, ছেলেটি সারা রাত না ঘুমিয়ে ভোর রাতে ঘুমায়। যে কারণে অনেক ডাকাডাকি করলেও সে টের পায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেটি এখন সুস্থ আছে।
What's Your Reaction?