কিউবার জনগণকে সাহায্য করতেই মার্কিন রণতরী মোতায়েন: ট্রাম্প

কিউবার জনগণকে সহায়তা করাই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য। সম্প্রতি কিউবার কাছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনকে হুমকি হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, কিউবা একটি ‘ব্যর্থ দেশ’ যেখানে বিদ্যুৎ, অর্থ ও খাদ্যের ঘাটতি রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের সহায়তা করতে চায়। ট্রাম্প বলেন, ‘তার প্রশাসনের কিউবা নীতি মূলত মানবিক দিক এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবান আমেরিকানদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেব (বিশেষ করে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে বসবাসরতদের)।’ তিনি বলেন, ‘কিউবান আমেরিকানরা অনেকেই ভবিষ্যতে দেশে ফিরে গিয়ে পুনর্গঠন ও বিনিয়োগ করতে চান। তাদের নিজ দেশের উন্নয়নে সাহায্য করার আকাঙ্ক্ষার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।’ এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ‘কিউবা ১০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন মানবিক সহায়তা গ্রহণ করেছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তারা বলছে তারা এটি গ্রহণ করেছে। আমরা দেখব, তারা সত্যিই গ্রহণ করেছে কি না।’ রুবিও আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো মানবিক সহায়তা দিতে চায় না যা কিউবার সামরিক

কিউবার জনগণকে সাহায্য করতেই মার্কিন রণতরী মোতায়েন: ট্রাম্প

কিউবার জনগণকে সহায়তা করাই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য। সম্প্রতি কিউবার কাছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনকে হুমকি হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, কিউবা একটি ‘ব্যর্থ দেশ’ যেখানে বিদ্যুৎ, অর্থ ও খাদ্যের ঘাটতি রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের সহায়তা করতে চায়।

ট্রাম্প বলেন, ‘তার প্রশাসনের কিউবা নীতি মূলত মানবিক দিক এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবান আমেরিকানদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেব (বিশেষ করে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে বসবাসরতদের)।’

তিনি বলেন, ‘কিউবান আমেরিকানরা অনেকেই ভবিষ্যতে দেশে ফিরে গিয়ে পুনর্গঠন ও বিনিয়োগ করতে চান। তাদের নিজ দেশের উন্নয়নে সাহায্য করার আকাঙ্ক্ষার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।’

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ‘কিউবা ১০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন মানবিক সহায়তা গ্রহণ করেছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তারা বলছে তারা এটি গ্রহণ করেছে। আমরা দেখব, তারা সত্যিই গ্রহণ করেছে কি না।’

রুবিও আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো মানবিক সহায়তা দিতে চায় না যা কিউবার সামরিক প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যায় এবং পরে তা বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা হয়।’

এর আগে কিউবা জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সহায়তা গ্রহণ করা হবে কি না তা তারা বিবেচনা করছে। দেশটি বর্তমানে তীব্র জ্বালানি সংকটে ভুগছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে।

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল ডিয়াজ কানেল বলেন, ‘যদি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই ঘোষিত পরিমাণ সহায়তা আন্তর্জাতিক মানবিক মানদণ্ড মেনে প্রদান করে, তাহলে তারা তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত।’

ট্রাম্প সাহায্যে বিষয়ে বলেন, তার প্রশাসন কিউবান আমেরিকানদের জন্য এমন সুযোগ তৈরি করতে চায় যাতে তারা ইচ্ছা করলে দেশে ফিরে গিয়ে সাহায্য ও বিনিয়োগ করতে পারেন।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow