কিউবার সংস্কার শর্তে ১০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্র কিউবাকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এ সহায়তা পেতে হলে দেশটির কমিউনিস্ট সরকারকে ‘অর্থবহ সংস্কার’ গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এ প্রস্তাবের কথা প্রকাশ্যে জানায়। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, এর আগে ব্যক্তিগত পর্যায়েও কিউবাকে একই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। খবর আল-জাজিরার।  মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষ্য, “কিউবার জনগণকে সরাসরি অতিরিক্ত ১০০ মিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।” তবে এই সহায়তা গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত কিউবার সরকারের ওপর নির্ভর করছে। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, সহায়তার অর্থ কিউবা সরকারের মাধ্যমে নয়; বরং ক্যাথলিক চার্চ ও স্বাধীন মানবিক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। ১৯৬০-এর দশক থেকে কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অবরোধ চলছে। এটি আধুনিক ইতিহাসের দীর্ঘতম বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কিউবার কমিউনিস্ট সরকার মানবাধিকার দমন ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। তবে সমালোচকদের মতে, এই অবরোধই দ্বীপ রাষ্ট্রটির মা

কিউবার সংস্কার শর্তে ১০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্র কিউবাকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এ সহায়তা পেতে হলে দেশটির কমিউনিস্ট সরকারকে ‘অর্থবহ সংস্কার’ গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এ প্রস্তাবের কথা প্রকাশ্যে জানায়। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, এর আগে ব্যক্তিগত পর্যায়েও কিউবাকে একই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। খবর আল-জাজিরার।  মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষ্য, “কিউবার জনগণকে সরাসরি অতিরিক্ত ১০০ মিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।” তবে এই সহায়তা গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত কিউবার সরকারের ওপর নির্ভর করছে। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, সহায়তার অর্থ কিউবা সরকারের মাধ্যমে নয়; বরং ক্যাথলিক চার্চ ও স্বাধীন মানবিক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। ১৯৬০-এর দশক থেকে কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অবরোধ চলছে। এটি আধুনিক ইতিহাসের দীর্ঘতম বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কিউবার কমিউনিস্ট সরকার মানবাধিকার দমন ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। তবে সমালোচকদের মতে, এই অবরোধই দ্বীপ রাষ্ট্রটির মানবিক সংকট আরও বাড়িয়ে তুলেছে। সম্প্রতি জ্বালানি সংকট, খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ও দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাটে কিউবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। জাতিসংঘও দেশটিতে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow