কুমিল্লার তাহমিনা বেগম চৌধুরী পেলেন ‘রত্নগর্ভা মা’ সম্মাননা

প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও দেশের কৃতী ও আদর্শ মায়েদের সম্মাননা প্রদান করেছে আজাদ প্রোডাক্টস। ‘রত্নগর্ভা মা’ সম্মাননা অনুষ্ঠানে এ বছর সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২৫ জন এবং বিশেষ ক্যাটাগরিতে ১০ জন মাকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।  অনুষ্ঠানে আয়োজকরা বলেন, একুশ শতকের বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সন্তানদের যুগোপযোগী, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে মায়েরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। সেই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এ আয়োজন। অনুষ্ঠানে আজাদ প্রোডাক্টস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং দেশের সার্বিক শিক্ষা বিস্তারের নেপথ্য শক্তি হিসেবে মায়েদের আরো সচেতন ও অনুপ্রাণিত করতেই আমাদের এই আয়োজন। একজন মা পরিবারের প্রথম শিক্ষক। সুশিক্ষিত সন্তান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একজন মা-ই হচ্ছেন নিপুণ কারিগর। একজন ভালো সন্তান সৃষ্টির পেছনে প্রয়োজন একজন আদর্শ তথা রত্নগর্ভা মা।’ এ বছর সাধারণ ক্যাটাগরিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার তাহমিনা বেগম চৌধুরী ‘রত্নগর্ভা মা’ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। তার জীবনসংগ্রামের পথ মোটেও সহজ ছিল না। স্বাধীনতা-পরবর্তী দেশের অর্থনৈতিক টানাপোড়েন ও পারি

কুমিল্লার তাহমিনা বেগম চৌধুরী পেলেন ‘রত্নগর্ভা মা’ সম্মাননা

প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও দেশের কৃতী ও আদর্শ মায়েদের সম্মাননা প্রদান করেছে আজাদ প্রোডাক্টস। ‘রত্নগর্ভা মা’ সম্মাননা অনুষ্ঠানে এ বছর সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২৫ জন এবং বিশেষ ক্যাটাগরিতে ১০ জন মাকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। 

অনুষ্ঠানে আয়োজকরা বলেন, একুশ শতকের বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সন্তানদের যুগোপযোগী, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে মায়েরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। সেই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এ আয়োজন।

অনুষ্ঠানে আজাদ প্রোডাক্টস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং দেশের সার্বিক শিক্ষা বিস্তারের নেপথ্য শক্তি হিসেবে মায়েদের আরো সচেতন ও অনুপ্রাণিত করতেই আমাদের এই আয়োজন। একজন মা পরিবারের প্রথম শিক্ষক। সুশিক্ষিত সন্তান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একজন মা-ই হচ্ছেন নিপুণ কারিগর। একজন ভালো সন্তান সৃষ্টির পেছনে প্রয়োজন একজন আদর্শ তথা রত্নগর্ভা মা।’

এ বছর সাধারণ ক্যাটাগরিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার তাহমিনা বেগম চৌধুরী ‘রত্নগর্ভা মা’ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। তার জীবনসংগ্রামের পথ মোটেও সহজ ছিল না। স্বাধীনতা-পরবর্তী দেশের অর্থনৈতিক টানাপোড়েন ও পারিবারিক প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি নয় সন্তানের ভরণপোষণ এবং শিক্ষার নিশ্চয়তা দিতে নিরলস সংগ্রাম করে গেছেন।

অত্যন্ত মেধাবী তাহমিনা বেগম চৌধুরীর মধ্যে শিক্ষার প্রতি ছিল প্রবল অনুরাগ। সন্তানদের সুশিক্ষিত, নৈতিক গুণাবলি সম্পন্ন এবং দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি ছিলেন দৃঢ় ও অনমনীয়। তার নয় সন্তানই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে বর্তমানে রাষ্ট্রীয় ও পেশাগত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন।

সন্তানদের সাফল্যের কারণে স্থানীয়ভাবে তিনি ‘গর্বিত জননী’, ‘ম্যাজিস্ট্রেটের মা’, ‘কমিশনারের মা’, ‘ম্যাডামের মা’ ও ‘নিউজ কন্ট্রোলারের মা’সহ বিভিন্ন সম্মানসূচক উপাধিতে পরিচিতি লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য, তাহমিনা বেগম চৌধুরী এর আগে ২০২১ সালে সফল জননী নারী ক্যাটাগরিতে বুড়িচং উপজেলায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হন। তার এই অর্জন শুধু পরিবার নয়, পুরো এলাকার মানুষের জন্য গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow