‌কৃষক কার্ড হবে কৃষকের মর্যাদার স্বীকৃতি: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষককে সমাজের সর্বোচ্চ মর্যাদায় আসীন করতে সরকার বদ্ধপরিকর। কৃষক কার্ড হবে কৃষকের মর্যাদার স্বীকৃতি। ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্বকালে এ কথা বলেন তিনি। সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে দেশের অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে। দেশে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ‘কৃষক কার্ড’ সব কৃষককে একটি নিয়মিত ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসবে, যার মাধ্যমে কৃষি খাত সুশৃঙ্খল হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে ফসল, খাদ্যশস্য, মৌসুমী শাকসবজি ও ফলমূল অনেকাংশে নষ্ট হচ্ছে, কারণ চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে সমন্বয় নেই। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে এসব সমস্যা দূর হবে। প্রতিটি কৃষকের জমির পরিমাণ, মাটির স্বাস্থ্য ও অম্লতা, ফসলের চাহিদা এবং উৎপাদনের ডাটাবেজ তৈরি হবে। ফ

‌কৃষক কার্ড হবে কৃষকের মর্যাদার স্বীকৃতি: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষককে সমাজের সর্বোচ্চ মর্যাদায় আসীন করতে সরকার বদ্ধপরিকর। কৃষক কার্ড হবে কৃষকের মর্যাদার স্বীকৃতি।

‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্বকালে এ কথা বলেন তিনি।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে দেশের অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে। দেশে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ‘কৃষক কার্ড’ সব কৃষককে একটি নিয়মিত ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসবে, যার মাধ্যমে কৃষি খাত সুশৃঙ্খল হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ফসল, খাদ্যশস্য, মৌসুমী শাকসবজি ও ফলমূল অনেকাংশে নষ্ট হচ্ছে, কারণ চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে সমন্বয় নেই। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে এসব সমস্যা দূর হবে। প্রতিটি কৃষকের জমির পরিমাণ, মাটির স্বাস্থ্য ও অম্লতা, ফসলের চাহিদা এবং উৎপাদনের ডাটাবেজ তৈরি হবে। ফলে কৃষক উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন।

দেশের ১১ টি উপজেলার ১১ টি ব্লকে কৃষক কার্ডের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য মাঠ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

সভায় সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একটি আলাদা গুরুত্ব থাকবে। কৃষক ও মেহেনতি মানুষের জন্য এ দিনটি গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে অনুষ্ঠান সফল করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

সভায় মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

এনএইচ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow