‘গুপ্ত শব্দের অপব্যবহার করে ফের ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে’

চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বিক্ষোভ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রশিবির। তাদের অভিযোগ, গুপ্ত শব্দের অপব্যবহার করে ফের ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিবিরের নেতাকর্মীরা। এরপর বিভিন্ন হল প্রদক্ষিণ করে জিরো পয়েন্টে সমাবেশ করেন। এসময় নেতাকর্মীদের ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগে‘, ‘সন্ত্রাসীদের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ছাত্রদলের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘বিচার চাই-বিচার চাই, সন্ত্রাসীদের বিচার চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়। চবি শাখা শিবিরের সভাপতি ইব্রাহীম রনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক হামলায় শুধু ছাত্র পরিচয়ে থাকা ক্যাডাররা নয়, বরং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমর্থকদেরও ভাড়া করে যুক্ত করা হয়েছে। আমরা আগস্টে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আদর্শ সমাজ গড়ার লক্ষ্যে আন্দোলন করেছিলাম, যেখানে নিরাপত্তা, শিক্ষা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত হবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে গুপ্ত শব্দের অপব্যবহার করে আবারও ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার

‘গুপ্ত শব্দের অপব্যবহার করে ফের ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে’

চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বিক্ষোভ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রশিবির। তাদের অভিযোগ, গুপ্ত শব্দের অপব্যবহার করে ফের ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিবিরের নেতাকর্মীরা। এরপর বিভিন্ন হল প্রদক্ষিণ করে জিরো পয়েন্টে সমাবেশ করেন।

এসময় নেতাকর্মীদের ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগে‘, ‘সন্ত্রাসীদের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ছাত্রদলের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘বিচার চাই-বিচার চাই, সন্ত্রাসীদের বিচার চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।

চবি শাখা শিবিরের সভাপতি ইব্রাহীম রনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক হামলায় শুধু ছাত্র পরিচয়ে থাকা ক্যাডাররা নয়, বরং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমর্থকদেরও ভাড়া করে যুক্ত করা হয়েছে। আমরা আগস্টে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আদর্শ সমাজ গড়ার লক্ষ্যে আন্দোলন করেছিলাম, যেখানে নিরাপত্তা, শিক্ষা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত হবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে গুপ্ত শব্দের অপব্যবহার করে আবারও ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। হামলার ঘটনায় দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। আমরা আর ট্যাগিংয়ের রাজনীতি চাই না।’

শাখা শিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদ বলেন, ‘২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সহিংসতার রাজনীতি শুরু হয়। ছাত্রলীগ এখন নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। একজন ইঞ্জিনিয়ারিং করে সংসদ সদস্য হয়ে নীরব থাকলেও তার অনুসারীরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। যেকোনো আক্রমণের জবাব পাল্টা আঘাতের মাধ্যমে দেওয়া হবে।’

এমএমআরআর/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow