ঘরে ঢুকে বড় বোনকে গলা কেটে হত্যা করল ছোট ভাই

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে ঘরে ঢুকে বড় বোন ছেনুরা বেগমকে (৬৫) গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার ছোট ভাই জানে আলমের (৫০) বিরুদ্ধে।  সোমবার (২ মার্চ) নগরীর হালিশহর থানাধীন রমনা আবাসিক এলাকায় তারাবিহ নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে। হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মো. সুলতান আহসান উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকার জন্য বঁটি দিয়ে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা খুনিকে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়।  স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারাবিহ নামাজ শেষে বোরকা পরিহিত একজনকে দ্রুত হেঁটে যেতে দেখা যায়। তার হাঁটা সন্দেহজনক মনে হলে তাকে দাঁড়াতে বলেন সেখানে থাকা লোকজন। এতে তিনি হাঁটার গতি বাড়িয়ে দেন। পরে তাকে দৌড়ে ধরে বোরকার মুখ খুললে দেখা যায় তিনি বয়স্ক পুরুষ। তার হাত রক্তমাখা। পরে তার পরিহিত জামার পকেট থেকে স্বর্ণ পাওয়া যায়। হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মো. সুলতান আহসান উদ্দিন বলেন, হালিশহর রমনা আবাসিক এলাকায় বোনকে আপন ভাই গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে খুনিকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন স্থ

ঘরে ঢুকে বড় বোনকে গলা কেটে হত্যা করল ছোট ভাই

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে ঘরে ঢুকে বড় বোন ছেনুরা বেগমকে (৬৫) গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার ছোট ভাই জানে আলমের (৫০) বিরুদ্ধে। 

সোমবার (২ মার্চ) নগরীর হালিশহর থানাধীন রমনা আবাসিক এলাকায় তারাবিহ নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে।

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মো. সুলতান আহসান উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকার জন্য বঁটি দিয়ে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা খুনিকে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। 

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারাবিহ নামাজ শেষে বোরকা পরিহিত একজনকে দ্রুত হেঁটে যেতে দেখা যায়। তার হাঁটা সন্দেহজনক মনে হলে তাকে দাঁড়াতে বলেন সেখানে থাকা লোকজন। এতে তিনি হাঁটার গতি বাড়িয়ে দেন। পরে তাকে দৌড়ে ধরে বোরকার মুখ খুললে দেখা যায় তিনি বয়স্ক পুরুষ। তার হাত রক্তমাখা। পরে তার পরিহিত জামার পকেট থেকে স্বর্ণ পাওয়া যায়।

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মো. সুলতান আহসান উদ্দিন বলেন, হালিশহর রমনা আবাসিক এলাকায় বোনকে আপন ভাই গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে খুনিকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow